ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
১৬ই নভেম্বর রবিবার আক্কেলপুরের দারুল কুরআন মাদ্রাসার আয়োজনে ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার সামনের প্রধান সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
টানা তৃতীয় বারের মতো মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তাদের টাকা ফেরৎ এবং দোষীদের যথাযথ শাস্তি চান।
অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার ব্যবস্থাপক বলছেন আদালত কর্তৃক বিষয়টি নিষ্পত্তির পাশাপাশি গ্রাহকদেরকে টাকা যতটা পারি ফেরৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।
ভুক্তভোগী গ্রাহক ও স্থানীয়সুত্রে চলতি বছরের ২৩ শে মার্চ ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় তিন কোটিরও বেশি টাকা আত্ম স্বাদের ঘটনা জানা যায়। এজেন্ট ব্যাংকের মালিক জাহিদুল ইসলাম অঞ্জু,ক্যাশিয়ার মাসুদ রানা ও ইনচার্জ রিওয়ানা ফারজানা কতৃক এই টাকা আত্মসাধের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দুইজন উপ-পরিচালক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী ও গোলাম রাব্বির তদন্তে জানা যায় এই শাখায় প্রায় আড়াই হাজার হিসাবধারী আছেন।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দারুল কুরআন মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিম মাওলানা ফিরোজ আহমেদ। তিনি বলেন শুধুমাত্র আমাদের মাদ্রাসার-ই ৩৯ লক্ষ ১৭ হাজার চারশত টাকা ছিল। সাধারণ মানুষের দান ছদকায় আমাদের এই মাদ্রাসা চলে। এখানে অসংখ্য এতিম বাচ্চা রয়েছেন । টাকা আত্মসাধের পর আমরা আমাদের শিক্ষকদের বেতন দিতে পারি নাই এবং ছাত্রদের খাবারের ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই আমরা ব্যাংক ব্যবস্থাপকের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি,খুব দ্রুত আমাদের টাকা ফেরৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,মানুষের দান করার টাকায় আমাদের মাদ্রাসা চলে। ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের লোকেরা আমাদের টাকা আত্মসাৎ করার পর থেকে আমাদের খুব কষ্টে দিন যাচ্ছে। আমরা আগের মত মানসম্মত খাবার এবং সময় মত খাবার কোনটায় টাই পাইনা।
এদিকে ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখা ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান আাদলতের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান,এ ঘটনায় মোট ১১ জন গ্রাহক মামলা করেছে। তার মধ্যে ফৌজদারী মামলা ও অর্থ আত্মসাধের জন্য মানি স্যুট মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ফৌজদারি রিপোর্ট সাবমিট হয়েছে আর মানি স্যুট মামলাটি সুমন রিটার্নের জন্য আছে। তিনি আরো বলেন আদালতের পাশাপাশি আমরা ইতিমধ্যেই এজেন্ট ব্যাংকের মালিক, ক্যাশিয়ার ও ইনচার্জের আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে যোগাযোগ করছি তারা যদি সহপ্রণোদিত হয়ে টাকা ফেরত দিতে চায় তাহলে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসার একটা ব্যবস্থা করব। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫
ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
১৬ই নভেম্বর রবিবার আক্কেলপুরের দারুল কুরআন মাদ্রাসার আয়োজনে ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার সামনের প্রধান সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
টানা তৃতীয় বারের মতো মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তাদের টাকা ফেরৎ এবং দোষীদের যথাযথ শাস্তি চান।
অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার ব্যবস্থাপক বলছেন আদালত কর্তৃক বিষয়টি নিষ্পত্তির পাশাপাশি গ্রাহকদেরকে টাকা যতটা পারি ফেরৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।
ভুক্তভোগী গ্রাহক ও স্থানীয়সুত্রে চলতি বছরের ২৩ শে মার্চ ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় তিন কোটিরও বেশি টাকা আত্ম স্বাদের ঘটনা জানা যায়। এজেন্ট ব্যাংকের মালিক জাহিদুল ইসলাম অঞ্জু,ক্যাশিয়ার মাসুদ রানা ও ইনচার্জ রিওয়ানা ফারজানা কতৃক এই টাকা আত্মসাধের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দুইজন উপ-পরিচালক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী ও গোলাম রাব্বির তদন্তে জানা যায় এই শাখায় প্রায় আড়াই হাজার হিসাবধারী আছেন।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দারুল কুরআন মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিম মাওলানা ফিরোজ আহমেদ। তিনি বলেন শুধুমাত্র আমাদের মাদ্রাসার-ই ৩৯ লক্ষ ১৭ হাজার চারশত টাকা ছিল। সাধারণ মানুষের দান ছদকায় আমাদের এই মাদ্রাসা চলে। এখানে অসংখ্য এতিম বাচ্চা রয়েছেন । টাকা আত্মসাধের পর আমরা আমাদের শিক্ষকদের বেতন দিতে পারি নাই এবং ছাত্রদের খাবারের ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই আমরা ব্যাংক ব্যবস্থাপকের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি,খুব দ্রুত আমাদের টাকা ফেরৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,মানুষের দান করার টাকায় আমাদের মাদ্রাসা চলে। ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের লোকেরা আমাদের টাকা আত্মসাৎ করার পর থেকে আমাদের খুব কষ্টে দিন যাচ্ছে। আমরা আগের মত মানসম্মত খাবার এবং সময় মত খাবার কোনটায় টাই পাইনা।
এদিকে ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখা ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান আাদলতের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান,এ ঘটনায় মোট ১১ জন গ্রাহক মামলা করেছে। তার মধ্যে ফৌজদারী মামলা ও অর্থ আত্মসাধের জন্য মানি স্যুট মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ফৌজদারি রিপোর্ট সাবমিট হয়েছে আর মানি স্যুট মামলাটি সুমন রিটার্নের জন্য আছে। তিনি আরো বলেন আদালতের পাশাপাশি আমরা ইতিমধ্যেই এজেন্ট ব্যাংকের মালিক, ক্যাশিয়ার ও ইনচার্জের আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে যোগাযোগ করছি তারা যদি সহপ্রণোদিত হয়ে টাকা ফেরত দিতে চায় তাহলে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসার একটা ব্যবস্থা করব। 
আপনার মতামত লিখুন