কোনো অভিযোগ ছিল না, বদলিরও চাননি—ওহিদের আকস্মিক মৃত্যুতে হতবাক পুলিশ..নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম কোনো অভিযোগ ছিল না, বদলিরও চাননি—ওহিদের আকস্মিক মৃত্যুতে হতবাক পুলিশ।চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানার ভেতর থেকে ওহিদুর রহমান (৩২) নামে এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে থানার বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওহিদুর রহমান নোয়াখালীর কবিরহাট থানার শহীদুল্লাহর ছেলে। তিনি বর্তমানে চকবাজার থানায় কর্মরত ছিলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আলমগীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “গতকাল শনিবার রাতে নাইট ডিউটি করেছিলেন ওহিদ। সকালে গোসল করতে বাথরুমে প্রবেশ করেন। পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।”
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এএসআই ওহিদ আত্মহননের পথ বেছে নিলেন—তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ডিসি আলমগীর বলেন, “ওহিদুর রহমান আগে বরিশালে কর্মরত ছিলেন। তার পরিবারও বরিশালে থাকে। বদলি সংক্রান্ত কোনো চাপ বা সমস্যা ছিল বলে আমাদের জানা নেই। কেন তিনি এমন করলেন, বিষয়টি বোধগম্য নয়। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।”
এ ঘটনায় থানায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বলছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কোনো অভিযোগ ছিল না, বদলিরও চাননি—ওহিদের আকস্মিক মৃত্যুতে হতবাক পুলিশ..নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম কোনো অভিযোগ ছিল না, বদলিরও চাননি—ওহিদের আকস্মিক মৃত্যুতে হতবাক পুলিশ।চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানার ভেতর থেকে ওহিদুর রহমান (৩২) নামে এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে থানার বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওহিদুর রহমান নোয়াখালীর কবিরহাট থানার শহীদুল্লাহর ছেলে। তিনি বর্তমানে চকবাজার থানায় কর্মরত ছিলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আলমগীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “গতকাল শনিবার রাতে নাইট ডিউটি করেছিলেন ওহিদ। সকালে গোসল করতে বাথরুমে প্রবেশ করেন। পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।”
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এএসআই ওহিদ আত্মহননের পথ বেছে নিলেন—তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ডিসি আলমগীর বলেন, “ওহিদুর রহমান আগে বরিশালে কর্মরত ছিলেন। তার পরিবারও বরিশালে থাকে। বদলি সংক্রান্ত কোনো চাপ বা সমস্যা ছিল বলে আমাদের জানা নেই। কেন তিনি এমন করলেন, বিষয়টি বোধগম্য নয়। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।”
এ ঘটনায় থানায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ বলছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন