নজর বিডি
প্রকাশ : রোববার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

পিঠা ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতা: তিন মাসেই ছয় মাসের আয়

পিঠা ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতা: তিন মাসেই ছয় মাসের আয়

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হাটবাজার, মোড় ও ফুটপাতজুড়ে শীতের পিঠার ব্যবসা জমে উঠেছে। সন্ধ্যা নামলেই বিভিন্ন স্থানে ভাপা পিঠা, চিতই, পাটিসাপটা, নকশিপিঠা, দুধপুলি, কুলি পিঠাসহ নানা ঐতিহ্যবাহী পিঠার দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। নতুন চালের সুগন্ধ আর গরম ভাপা পিঠার ধোঁয়ায় চারপাশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

শীতের স্বাদে ব্যস্ত হাটবাজার

হাটবাজার, রাস্তার মোড়, জাকারিয়া মার্কেটের সামনে, চুকনগর মোড়, আঠারো মাইল বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পিঠার দোকান বসেছে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে কেনাবেচা। অনেক দোকানে এখন ঐতিহ্যের পাশাপাশি ‘পিৎজা চিতই পিঠা’র মতো আধুনিক পিঠাও বিক্রি হচ্ছে।

ডুমুরিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও চলছে পিঠা উৎসব। সরকারি মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ঐতিহ্যবাহী পিঠার সম্ভার সাজিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।

ডুমুরিয়া–বাস্টার্ড–মির্জাপুর সড়ক মোড়ে এক মাস আগে থেকেই পিঠার দোকান সাজিয়ে বসেছেন স্থানীয় এক বিক্রেতা। তিনি বলেন—
“চার বছর ধরে চিতই পিঠা বিক্রি করছি। শীতের মৌসুমে প্রতিদিন ৫–৬ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি হয়। চাল, গুড়, তেল ও কাঠের দাম বাড়ায় লাভ কিছুটা কম হলেও শীত বাড়লে বিক্রি দ্বিগুণ হয়ে যায়।”

তার পাশেই দোকান দিয়েছেন মো. রুহুল আমীন। তিনটি চুলায় একযোগে পিঠা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন—
“প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভালো লাভ হয়। তবে পুলিশের ভয়ে থাকতে হয়, কখনো হঠাৎ করে উঠে যেতে বলে।”

চুকনগর মোড়, আঠারো মাইল বাজার, কৈয়া বাজারসহ বিভিন্ন মোড়ে বসা বিক্রেতারা জানান—
“শীতের তিন মাসে যে আয় হয়, তা দিয়ে প্রায় ছয় মাস চলা যায়।”

শীতের পিঠা—গরিব মানুষের মৌসুমি আয়ের ভরসা

বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম বলেন—
“শীতের মৌসুম গরিব মানুষের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ এনে দেয়। কেউ পিঠা বিক্রি করেন, কেউ মাঠে কাজ করেন—এভাবেই জীবন চলে। এ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সরকারি সহায়তা দেওয়া খুব জরুরি।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


পিঠা ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতা: তিন মাসেই ছয় মাসের আয়

প্রকাশের তারিখ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হাটবাজার, মোড় ও ফুটপাতজুড়ে শীতের পিঠার ব্যবসা জমে উঠেছে। সন্ধ্যা নামলেই বিভিন্ন স্থানে ভাপা পিঠা, চিতই, পাটিসাপটা, নকশিপিঠা, দুধপুলি, কুলি পিঠাসহ নানা ঐতিহ্যবাহী পিঠার দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। নতুন চালের সুগন্ধ আর গরম ভাপা পিঠার ধোঁয়ায় চারপাশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

শীতের স্বাদে ব্যস্ত হাটবাজার

হাটবাজার, রাস্তার মোড়, জাকারিয়া মার্কেটের সামনে, চুকনগর মোড়, আঠারো মাইল বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পিঠার দোকান বসেছে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে কেনাবেচা। অনেক দোকানে এখন ঐতিহ্যের পাশাপাশি ‘পিৎজা চিতই পিঠা’র মতো আধুনিক পিঠাও বিক্রি হচ্ছে।

ডুমুরিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও চলছে পিঠা উৎসব। সরকারি মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ঐতিহ্যবাহী পিঠার সম্ভার সাজিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।

ডুমুরিয়া–বাস্টার্ড–মির্জাপুর সড়ক মোড়ে এক মাস আগে থেকেই পিঠার দোকান সাজিয়ে বসেছেন স্থানীয় এক বিক্রেতা। তিনি বলেন—
“চার বছর ধরে চিতই পিঠা বিক্রি করছি। শীতের মৌসুমে প্রতিদিন ৫–৬ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি হয়। চাল, গুড়, তেল ও কাঠের দাম বাড়ায় লাভ কিছুটা কম হলেও শীত বাড়লে বিক্রি দ্বিগুণ হয়ে যায়।”

তার পাশেই দোকান দিয়েছেন মো. রুহুল আমীন। তিনটি চুলায় একযোগে পিঠা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন—
“প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভালো লাভ হয়। তবে পুলিশের ভয়ে থাকতে হয়, কখনো হঠাৎ করে উঠে যেতে বলে।”

চুকনগর মোড়, আঠারো মাইল বাজার, কৈয়া বাজারসহ বিভিন্ন মোড়ে বসা বিক্রেতারা জানান—
“শীতের তিন মাসে যে আয় হয়, তা দিয়ে প্রায় ছয় মাস চলা যায়।”

শীতের পিঠা—গরিব মানুষের মৌসুমি আয়ের ভরসা

বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম বলেন—
“শীতের মৌসুম গরিব মানুষের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ এনে দেয়। কেউ পিঠা বিক্রি করেন, কেউ মাঠে কাজ করেন—এভাবেই জীবন চলে। এ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সরকারি সহায়তা দেওয়া খুব জরুরি।”


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত