‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’মুকসুদপুর প্রতিনিধি:নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় সংস্কৃতির উন্নয়নকে উৎসাহ দিতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অনুষ্ঠিত হলো রঙিন আয়োজন—“উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব ২০২৫”। উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই মেলা ছিল দিনজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা।
‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’—এ স্লোগানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসবে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা নিজেদের তৈরি নানা পিঠা, হস্তশিল্প ও ঘরোয়া পণ্য প্রদর্শন করেন। উদ্যোক্তাদের ভাষায়—এমন উদ্যোগ তাদের ব্যবসা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
শিশু, যুবক থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের ভিড়ে মেলা স্থল ছিল উৎসবমুখর। দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টলে ঘুরে ঘুরে স্থানীয় পণ্য ও ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্বাদ উপভোগ করেন। পিঠার ঘ্রাণ, ব্যবসায়ীদের ডাক আর সংস্কৃতির উচ্ছ্বাস মেলাকে পুরোপুরি রঙিন করে তোলে।
দিনশেষে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন,এই আয়োজন স্থানীয় নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল হাচনাত নারী উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে ‘স্থানীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তি’ উল্লেখ করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় দিনব্যাপী এই উৎসব।
আয়োজকরা জানান—পরিচিতি ঝুঁটিতে থাকা স্থানীয় পণ্যকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতেই তাদের এ প্রচেষ্টা। নারী উদ্যোক্তা গড়ে তোলা ও লোকজ সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই আয়োজনকে নিয়মিত করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’মুকসুদপুর প্রতিনিধি:নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় সংস্কৃতির উন্নয়নকে উৎসাহ দিতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অনুষ্ঠিত হলো রঙিন আয়োজন—“উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব ২০২৫”। উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই মেলা ছিল দিনজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা।
‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’—এ স্লোগানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসবে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা নিজেদের তৈরি নানা পিঠা, হস্তশিল্প ও ঘরোয়া পণ্য প্রদর্শন করেন। উদ্যোক্তাদের ভাষায়—এমন উদ্যোগ তাদের ব্যবসা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
শিশু, যুবক থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের ভিড়ে মেলা স্থল ছিল উৎসবমুখর। দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টলে ঘুরে ঘুরে স্থানীয় পণ্য ও ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্বাদ উপভোগ করেন। পিঠার ঘ্রাণ, ব্যবসায়ীদের ডাক আর সংস্কৃতির উচ্ছ্বাস মেলাকে পুরোপুরি রঙিন করে তোলে।
দিনশেষে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন,এই আয়োজন স্থানীয় নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল হাচনাত নারী উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে ‘স্থানীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তি’ উল্লেখ করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় দিনব্যাপী এই উৎসব।
আয়োজকরা জানান—পরিচিতি ঝুঁটিতে থাকা স্থানীয় পণ্যকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতেই তাদের এ প্রচেষ্টা। নারী উদ্যোক্তা গড়ে তোলা ও লোকজ সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই আয়োজনকে নিয়মিত করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন