বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার অনুসারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মাঠে-ঘাটে সংগ্রাম করলেও ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি।
তাদের দাবি—তৃণমূলের মত উপেক্ষা করে ‘অতিথি পাখি’ ও অরাজনৈতিক ব্যক্তি সাবেক ডিসি আব্দুল বারীকে মনোনয়ন দিয়ে দল ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ মনোনয়ন তারা মানবেন না বলেও স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, ঘোষিত প্রার্থী আব্দুল বারীকে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চেনেন না। তিনি মাঠের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাই মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা।
তৃণমূলের মতে, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা ছাড়া আরও সক্রিয় নেতা—আব্বাস আলী, ওবায়দুর রহমান চন্দন ও লায়ন সিরাজুল ইসলাম—আছেন, যাদের মধ্যে যেকোনো একজনকে প্রার্থী করা যেতে পারে।
জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এফতাদুল বলেন,
“আমরা ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করছি, জেল–মামলা মাথায় নিয়ে দিন কাটিয়েছি। কিন্তু যিনি দলের কেউ নন, তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলো কেন? তার সমাবেশে ৫০–৬০ জনের বেশি মানুষ থাকে না। স্থানীয় মানুষও তাকে চেনে না।”
তৃণমূল কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন,
“ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে একজন আমলাকে কেন প্রার্থী করা হলো? এই সিদ্ধান্ত এলাকায় হতাশা তৈরি করেছে।”
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার অনুসারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মাঠে-ঘাটে সংগ্রাম করলেও ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি।
তাদের দাবি—তৃণমূলের মত উপেক্ষা করে ‘অতিথি পাখি’ ও অরাজনৈতিক ব্যক্তি সাবেক ডিসি আব্দুল বারীকে মনোনয়ন দিয়ে দল ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ মনোনয়ন তারা মানবেন না বলেও স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, ঘোষিত প্রার্থী আব্দুল বারীকে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চেনেন না। তিনি মাঠের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাই মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা।
তৃণমূলের মতে, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা ছাড়া আরও সক্রিয় নেতা—আব্বাস আলী, ওবায়দুর রহমান চন্দন ও লায়ন সিরাজুল ইসলাম—আছেন, যাদের মধ্যে যেকোনো একজনকে প্রার্থী করা যেতে পারে।
জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এফতাদুল বলেন,
“আমরা ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করছি, জেল–মামলা মাথায় নিয়ে দিন কাটিয়েছি। কিন্তু যিনি দলের কেউ নন, তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলো কেন? তার সমাবেশে ৫০–৬০ জনের বেশি মানুষ থাকে না। স্থানীয় মানুষও তাকে চেনে না।”
তৃণমূল কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন,
“ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে একজন আমলাকে কেন প্রার্থী করা হলো? এই সিদ্ধান্ত এলাকায় হতাশা তৈরি করেছে।”
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন