অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ আসমা বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন —
প্রফেসর এস. এম. মাহাবুবুল ইসলাম, সচিব, যশোর শিক্ষা বোর্ড
প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
ড. মো. কামরুজ্জামান, বিদ্যালয় পরিদর্শক
এস. এম. ছায়েদুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার, খুলনা
এছাড়াও বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দিবাসীশ বিশ্বাস, শিক্ষক মুহাম্মদ আইয়ুব হুসাইনসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন—
শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হলে মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষ শিক্ষক ও আধুনিক পাঠদান প্রয়োজন।
শিক্ষকের আন্তরিকতা, দক্ষতা, আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ–নৈতিকতা চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অভিভাবকদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যোগাযোগ, শিক্ষকদের প্রতি সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের যত্নশীল আচরণ শিক্ষার মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখে।
পরীক্ষা-কেন্দ্রিক শিক্ষা কমিয়ে সৃজনশীলতা বাড়াতে হবে, নৈতিকতা, ভদ্রতা, দেশপ্রেম, পরোপকারিতা শিক্ষা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করাও অন্যতম করণীয়।
সুষ্ঠু শিক্ষানীতি, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়, আধুনিক পাঠদান প্রযুক্তি ব্যবহার—এসব নিশ্চিত করতে পারলেই গুণগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন,
আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী ও জাতি নেতৃত্বদানকারী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে—শ্রেণিকক্ষই তাদের সেই প্রস্তুতির ক্ষেত্র।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ আসমা বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন —
প্রফেসর এস. এম. মাহাবুবুল ইসলাম, সচিব, যশোর শিক্ষা বোর্ড
প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
ড. মো. কামরুজ্জামান, বিদ্যালয় পরিদর্শক
এস. এম. ছায়েদুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার, খুলনা
এছাড়াও বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দিবাসীশ বিশ্বাস, শিক্ষক মুহাম্মদ আইয়ুব হুসাইনসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন—
শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হলে মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষ শিক্ষক ও আধুনিক পাঠদান প্রয়োজন।
শিক্ষকের আন্তরিকতা, দক্ষতা, আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ–নৈতিকতা চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অভিভাবকদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যোগাযোগ, শিক্ষকদের প্রতি সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের যত্নশীল আচরণ শিক্ষার মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখে।
পরীক্ষা-কেন্দ্রিক শিক্ষা কমিয়ে সৃজনশীলতা বাড়াতে হবে, নৈতিকতা, ভদ্রতা, দেশপ্রেম, পরোপকারিতা শিক্ষা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করাও অন্যতম করণীয়।
সুষ্ঠু শিক্ষানীতি, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়, আধুনিক পাঠদান প্রযুক্তি ব্যবহার—এসব নিশ্চিত করতে পারলেই গুণগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন,
আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী ও জাতি নেতৃত্বদানকারী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে—শ্রেণিকক্ষই তাদের সেই প্রস্তুতির ক্ষেত্র।

আপনার মতামত লিখুন