বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আয়োজিত এ সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল—জলবায়ু অভিবাসী জনগোষ্ঠীর সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং তা সমাধানের পথ খুঁজে বের করা।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. সুমন কুমার মালাকার, প্রোগ্রাম অফিসার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, কারিতাস খুলনা অঞ্চল। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন খুলনা মহিলা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অ. দা.) সুরাইয়া সিদ্দীকা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সুরাইয়া সিদ্দীকা বলেন, বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের সহায়তা প্রদান করতে গেলে বেশ জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “V.W.D কার্ড সুবিধা রয়েছে, কিন্তু যোগ্য সুবিধাভোগী পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।” তিনি আরও বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ৩৫ বছরের মধ্যে দম্পতির দুই সন্তানের সীমা থাকায় বয়স পেরুলে অনেক ক্ষেত্রে তাদের তথ্য সিস্টেমে স্থান দেওয়া সম্ভব হয় না।
তিনি অভিবাসীদের উদ্দেশে বলেন, “সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থাকলে সুবিধা প্রাপ্তির সম্ভাবনা বেশি থাকে।”
খুলনা সমাজসেবা অধিদপ্তর-২ এর সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান বলেন, “আমরা কেসিসির মাধ্যমে ভাতা প্রদান করে থাকি। কিন্তু অভিবাসীদের বড় সমস্যা হলো—অনেকে কিছুদিন পর অন্যত্র চলে যান, এতে ভাতা কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হয়।”
সমাপনী বক্তব্যে কারিতাস খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট অ্যান্ড অ্যাডমিন মিজানুর রহমান বকুল বলেন, “আজকের সভার মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা সম্পর্কে যে ধারণা পেয়েছেন, তা ভবিষ্যতে নিজেরা গ্রহণ করতে পারবেন এবং অন্যদেরও সহায়তা করতে সচেষ্ট থাকবেন।”
সভায় জাতীয় মহিলা সংস্থা, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, বিসিক, ওয়াসা, টিসিবি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, রেড ক্রিসেন্ট, নবলোক, জেজেএসসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
লিংকেজ মিটিংয়ের সার্বিক সমন্বয় করেন প্রকল্পের প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর পবিত্র কুমার মণ্ডল ও আরবান টিম।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আয়োজিত এ সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল—জলবায়ু অভিবাসী জনগোষ্ঠীর সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং তা সমাধানের পথ খুঁজে বের করা।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. সুমন কুমার মালাকার, প্রোগ্রাম অফিসার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, কারিতাস খুলনা অঞ্চল। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন খুলনা মহিলা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অ. দা.) সুরাইয়া সিদ্দীকা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সুরাইয়া সিদ্দীকা বলেন, বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের সহায়তা প্রদান করতে গেলে বেশ জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “V.W.D কার্ড সুবিধা রয়েছে, কিন্তু যোগ্য সুবিধাভোগী পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।” তিনি আরও বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ৩৫ বছরের মধ্যে দম্পতির দুই সন্তানের সীমা থাকায় বয়স পেরুলে অনেক ক্ষেত্রে তাদের তথ্য সিস্টেমে স্থান দেওয়া সম্ভব হয় না।
তিনি অভিবাসীদের উদ্দেশে বলেন, “সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থাকলে সুবিধা প্রাপ্তির সম্ভাবনা বেশি থাকে।”
খুলনা সমাজসেবা অধিদপ্তর-২ এর সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান বলেন, “আমরা কেসিসির মাধ্যমে ভাতা প্রদান করে থাকি। কিন্তু অভিবাসীদের বড় সমস্যা হলো—অনেকে কিছুদিন পর অন্যত্র চলে যান, এতে ভাতা কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হয়।”
সমাপনী বক্তব্যে কারিতাস খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট অ্যান্ড অ্যাডমিন মিজানুর রহমান বকুল বলেন, “আজকের সভার মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা সম্পর্কে যে ধারণা পেয়েছেন, তা ভবিষ্যতে নিজেরা গ্রহণ করতে পারবেন এবং অন্যদেরও সহায়তা করতে সচেষ্ট থাকবেন।”
সভায় জাতীয় মহিলা সংস্থা, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, বিসিক, ওয়াসা, টিসিবি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, রেড ক্রিসেন্ট, নবলোক, জেজেএসসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
লিংকেজ মিটিংয়ের সার্বিক সমন্বয় করেন প্রকল্পের প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর পবিত্র কুমার মণ্ডল ও আরবান টিম।

আপনার মতামত লিখুন