কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আবু সাঈদ সুমন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. পপি রানী রায়, উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার মণ্ডলসহ প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় অভিভাবকরাও।
সকালে শিক্ষার্থীদের মাঝে দুধ, ডিমসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করা হয়। শিশুরা উৎসাহের সঙ্গে ফিডিং কার্যক্রমে অংশ নেয়। আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগ শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত এবং প্রাণিজ খাদ্যের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা সভায় বক্তারা দুধ, ডিম ও মাংসের উপকারিতা, প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির বলেন, “শিশুদের পুষ্টির ভিত্তি শক্তিশালী করতে প্রাণিজ আমিষের বিকল্প নেই। এই কর্মসূচি তাদের সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”
ডা. আবু সাঈদ সুমন শিক্ষার্থীদের প্রাণিসম্পদ খাত, খাদ্যের গুণাগুণ ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বয়সোপযোগী ধারণা প্রদান করেন।
ডা. পপি রানী রায় বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সম্পদ। ছোটবেলা থেকেই পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্ব বুঝলে একটি সুস্থ, কর্মক্ষম প্রজন্ম তৈরি করা সম্ভব।”
শিক্ষকরা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ।
জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৫–এর প্রতিপাদ্য—
‘দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি—প্রাণিসম্পদের হবে উন্নতি।’
এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টি ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানান।
দিনব্যাপী স্কুল ফিডিং কর্মসূচি ও আলোচনা সভা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আবু সাঈদ সুমন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. পপি রানী রায়, উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার মণ্ডলসহ প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় অভিভাবকরাও।
সকালে শিক্ষার্থীদের মাঝে দুধ, ডিমসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করা হয়। শিশুরা উৎসাহের সঙ্গে ফিডিং কার্যক্রমে অংশ নেয়। আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগ শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত এবং প্রাণিজ খাদ্যের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা সভায় বক্তারা দুধ, ডিম ও মাংসের উপকারিতা, প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির বলেন, “শিশুদের পুষ্টির ভিত্তি শক্তিশালী করতে প্রাণিজ আমিষের বিকল্প নেই। এই কর্মসূচি তাদের সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”
ডা. আবু সাঈদ সুমন শিক্ষার্থীদের প্রাণিসম্পদ খাত, খাদ্যের গুণাগুণ ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বয়সোপযোগী ধারণা প্রদান করেন।
ডা. পপি রানী রায় বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সম্পদ। ছোটবেলা থেকেই পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্ব বুঝলে একটি সুস্থ, কর্মক্ষম প্রজন্ম তৈরি করা সম্ভব।”
শিক্ষকরা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ।
জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৫–এর প্রতিপাদ্য—
‘দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি—প্রাণিসম্পদের হবে উন্নতি।’
এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টি ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানান।
দিনব্যাপী স্কুল ফিডিং কর্মসূচি ও আলোচনা সভা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন