সোমবার (১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিসচার সাফল্যের ৩২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি শেষে মানববন্ধনে তিনি এ বক্তব্য দেন।
এসএম আজাদ বলেন, “রাজনৈতিক সদিচ্ছা মানে শুধু নতুন আইন প্রণয়ন নয়, বরং কঠোর প্রয়োগ, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা এখন মহামারির রূপ নিয়েছে। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ নিহত হচ্ছে, আহত ও পঙ্গুত্বের সংখ্যা আরও তিন গুণ বেশি।
তিনি বলেন, “গত ৩২ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি—যে দলই ক্ষমতায় থাকুক বা বিরোধী দলে থাকুক, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। আমরা মানুষকে সচেতন করি, কিন্তু তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।” এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি ফুটপাত দখল, যত্রতত্র অবৈধ যান চলাচল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বল ভূমিকা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ম অমান্য এবং পরিবহন মালিক–শ্রমিকদের অযৌক্তিক ধর্মঘটকে দায়ী করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এসএম আজাদ রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, “যেই দলই ক্ষমতায় আসুক, অঙ্গীকার করুন—যেকোনো মূল্যে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবেন। পরিবহন সেক্টরের ভোটের আশায় সিদ্ধান্ত বদলে শৃঙ্খলা ফিরবে না। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পরিবহন সেক্টর যেন অযথা ধর্মঘট ডেকে দেশকে অচল করতে না পারে—এ বিষয়ে কঠোর হতে হবে।
তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, “তফসিলের আগে বা পরে যখনই রাজনৈতিক ইশতেহার দেবেন—সেখানে নিরাপদ সড়কের বিষয়টি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আমরা অপেক্ষা করছি আপনাদের ঘোষণার জন্য।”
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া গতি, হেলমেট ব্যবহার না করা, ওভারটেকিং প্রবণতা, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তিতে স্বচ্ছতার অভাব, ট্রাফিক আইন অমান্য ও জনগণের সচেতনতার ঘাটতি।
এছাড়াও পরিকল্পনাহীন সড়ক নির্মাণ, নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার না করা, বিপজ্জনক বাঁক, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানো, মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, ভুল পথে চলা, ফুটপাত ব্যবহার না করা, ওভারব্রিজ ব্যবহার না করা, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান লিটন সরদার, যুগ্ম মহাসচিব একে আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সদস্য নাসিমুল মুমিনসহ নিসচার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫
সোমবার (১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিসচার সাফল্যের ৩২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি শেষে মানববন্ধনে তিনি এ বক্তব্য দেন।
এসএম আজাদ বলেন, “রাজনৈতিক সদিচ্ছা মানে শুধু নতুন আইন প্রণয়ন নয়, বরং কঠোর প্রয়োগ, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা এখন মহামারির রূপ নিয়েছে। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ নিহত হচ্ছে, আহত ও পঙ্গুত্বের সংখ্যা আরও তিন গুণ বেশি।
তিনি বলেন, “গত ৩২ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি—যে দলই ক্ষমতায় থাকুক বা বিরোধী দলে থাকুক, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। আমরা মানুষকে সচেতন করি, কিন্তু তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।” এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি ফুটপাত দখল, যত্রতত্র অবৈধ যান চলাচল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বল ভূমিকা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ম অমান্য এবং পরিবহন মালিক–শ্রমিকদের অযৌক্তিক ধর্মঘটকে দায়ী করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এসএম আজাদ রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, “যেই দলই ক্ষমতায় আসুক, অঙ্গীকার করুন—যেকোনো মূল্যে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবেন। পরিবহন সেক্টরের ভোটের আশায় সিদ্ধান্ত বদলে শৃঙ্খলা ফিরবে না। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পরিবহন সেক্টর যেন অযথা ধর্মঘট ডেকে দেশকে অচল করতে না পারে—এ বিষয়ে কঠোর হতে হবে।
তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, “তফসিলের আগে বা পরে যখনই রাজনৈতিক ইশতেহার দেবেন—সেখানে নিরাপদ সড়কের বিষয়টি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আমরা অপেক্ষা করছি আপনাদের ঘোষণার জন্য।”
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া গতি, হেলমেট ব্যবহার না করা, ওভারটেকিং প্রবণতা, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তিতে স্বচ্ছতার অভাব, ট্রাফিক আইন অমান্য ও জনগণের সচেতনতার ঘাটতি।
এছাড়াও পরিকল্পনাহীন সড়ক নির্মাণ, নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার না করা, বিপজ্জনক বাঁক, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানো, মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, ভুল পথে চলা, ফুটপাত ব্যবহার না করা, ওভারব্রিজ ব্যবহার না করা, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান লিটন সরদার, যুগ্ম মহাসচিব একে আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সদস্য নাসিমুল মুমিনসহ নিসচার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন