ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নে দেখা গেছে আব্দুস সাত্তার সরদার (৫০) ও তার ছেলে আব্দুল হালিম (২৫) এখনও গরু দিয়ে হালচাষ করছেন। তাঁরা জানান, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হয়, ফসল ভালো হয় এবং জমির উর্বরতা বাড়ে। হালচাষের জন্য দরকার এক জোড়া গরু, কাঠ ও লোহার লাঙ্গল, জোয়াল, মই, পান্টি ও গরুর লাগাম।”
শোভনা ইউনিয়নের কৃষক আজহারুল ইসলাম বলেন, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হতো এবং গোবর জমিতে পড়ে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি হতো। ফসলও ভালো হতো।” অন্য কৃষক মতিয়ার রহমান জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে তারা মেশিন দিয়ে হালচাষ করছেন।
শিক্ষক শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, “লাঙ্গলের ব্যবহার পরিবেশ বান্ধব এবং গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যও বটে। কষ্ট হলেও গরু দিয়ে হালচাষ করতে ভালো লাগত এবং দরিদ্র কৃষকের জীবিকা বাঁচত।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইনসান ইবনে আমিন জানান, আধুনিক কৃষি যন্ত্র ব্যবহারের ফলে শ্রমিকের ঘাটতি মিটছে এবং কৃষিকাজ দ্রুত ও সহজ হচ্ছে। এক সময় গরু ও লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ হলেও এখন অধিকাংশ কাজ যন্ত্রের মাধ্যমে হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫
ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নে দেখা গেছে আব্দুস সাত্তার সরদার (৫০) ও তার ছেলে আব্দুল হালিম (২৫) এখনও গরু দিয়ে হালচাষ করছেন। তাঁরা জানান, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হয়, ফসল ভালো হয় এবং জমির উর্বরতা বাড়ে। হালচাষের জন্য দরকার এক জোড়া গরু, কাঠ ও লোহার লাঙ্গল, জোয়াল, মই, পান্টি ও গরুর লাগাম।”
শোভনা ইউনিয়নের কৃষক আজহারুল ইসলাম বলেন, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হতো এবং গোবর জমিতে পড়ে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি হতো। ফসলও ভালো হতো।” অন্য কৃষক মতিয়ার রহমান জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে তারা মেশিন দিয়ে হালচাষ করছেন।
শিক্ষক শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, “লাঙ্গলের ব্যবহার পরিবেশ বান্ধব এবং গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যও বটে। কষ্ট হলেও গরু দিয়ে হালচাষ করতে ভালো লাগত এবং দরিদ্র কৃষকের জীবিকা বাঁচত।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইনসান ইবনে আমিন জানান, আধুনিক কৃষি যন্ত্র ব্যবহারের ফলে শ্রমিকের ঘাটতি মিটছে এবং কৃষিকাজ দ্রুত ও সহজ হচ্ছে। এক সময় গরু ও লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ হলেও এখন অধিকাংশ কাজ যন্ত্রের মাধ্যমে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন