নজর বিডি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২৫

ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে গরু দিয়ে হালচাষ

ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে গরু দিয়ে হালচাষ

এক সময় গ্রামবাংলার স্বাভাবিক চিত্র ছিল গরু দিয়ে হালচাষ। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন এই পদ্ধতি বিলুপ্তির পথে। হালচাষের পরিবর্তে এখন ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলার দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে জমি চাষ করা হয়। দুই যুগ আগে দরিদ্র মানুষরা নিজের জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতেও হালচাষ করে সংসারের ব্যয়ভার বহন করত।

ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নে দেখা গেছে আব্দুস সাত্তার সরদার (৫০) ও তার ছেলে আব্দুল হালিম (২৫) এখনও গরু দিয়ে হালচাষ করছেন। তাঁরা জানান, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হয়, ফসল ভালো হয় এবং জমির উর্বরতা বাড়ে। হালচাষের জন্য দরকার এক জোড়া গরু, কাঠ ও লোহার লাঙ্গল, জোয়াল, মই, পান্টি ও গরুর লাগাম।”

শোভনা ইউনিয়নের কৃষক আজহারুল ইসলাম বলেন, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হতো এবং গোবর জমিতে পড়ে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি হতো। ফসলও ভালো হতো।” অন্য কৃষক মতিয়ার রহমান জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে তারা মেশিন দিয়ে হালচাষ করছেন।

শিক্ষক শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, “লাঙ্গলের ব্যবহার পরিবেশ বান্ধব এবং গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যও বটে। কষ্ট হলেও গরু দিয়ে হালচাষ করতে ভালো লাগত এবং দরিদ্র কৃষকের জীবিকা বাঁচত।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইনসান ইবনে আমিন জানান, আধুনিক কৃষি যন্ত্র ব্যবহারের ফলে শ্রমিকের ঘাটতি মিটছে এবং কৃষিকাজ দ্রুত ও সহজ হচ্ছে। এক সময় গরু ও লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ হলেও এখন অধিকাংশ কাজ যন্ত্রের মাধ্যমে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে গরু দিয়ে হালচাষ

প্রকাশের তারিখ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

এক সময় গ্রামবাংলার স্বাভাবিক চিত্র ছিল গরু দিয়ে হালচাষ। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন এই পদ্ধতি বিলুপ্তির পথে। হালচাষের পরিবর্তে এখন ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলার দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে জমি চাষ করা হয়। দুই যুগ আগে দরিদ্র মানুষরা নিজের জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতেও হালচাষ করে সংসারের ব্যয়ভার বহন করত।

ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নে দেখা গেছে আব্দুস সাত্তার সরদার (৫০) ও তার ছেলে আব্দুল হালিম (২৫) এখনও গরু দিয়ে হালচাষ করছেন। তাঁরা জানান, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হয়, ফসল ভালো হয় এবং জমির উর্বরতা বাড়ে। হালচাষের জন্য দরকার এক জোড়া গরু, কাঠ ও লোহার লাঙ্গল, জোয়াল, মই, পান্টি ও গরুর লাগাম।”

শোভনা ইউনিয়নের কৃষক আজহারুল ইসলাম বলেন, “গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হতো এবং গোবর জমিতে পড়ে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি হতো। ফসলও ভালো হতো।” অন্য কৃষক মতিয়ার রহমান জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে তারা মেশিন দিয়ে হালচাষ করছেন।

শিক্ষক শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, “লাঙ্গলের ব্যবহার পরিবেশ বান্ধব এবং গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যও বটে। কষ্ট হলেও গরু দিয়ে হালচাষ করতে ভালো লাগত এবং দরিদ্র কৃষকের জীবিকা বাঁচত।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইনসান ইবনে আমিন জানান, আধুনিক কৃষি যন্ত্র ব্যবহারের ফলে শ্রমিকের ঘাটতি মিটছে এবং কৃষিকাজ দ্রুত ও সহজ হচ্ছে। এক সময় গরু ও লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ হলেও এখন অধিকাংশ কাজ যন্ত্রের মাধ্যমে হচ্ছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত