গুটুদিয়ার মিতালী মণ্ডল নিজের ঘেরে চিংড়ি ও সাদা মাছ চাষ করেন। প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা বাড়িয়েছেন, অংশ নিয়েছেন খুলনা–ঢাকার নানা সেমিনারে। স্বামীকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি নিজেও অর্থনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে দাঁড়াতে চান তিনি।
মাগুরাঘোনা গ্রামের ১৫ নারী ও ১০ পুরুষ মিলে লিজ নেওয়া ঘেরে চিংড়ি চাষ করছেন মৎস্য অফিসের সহায়তায়। তারা উন্নত পদ্ধতির চাষ, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা, দক্ষতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। তাদের লক্ষ্য—নিজেদের ও পরিবারের আর্থিক স্থিতি আরও মজবুত করা।
আরাজি সাজিয়াড়া, শোভনা, গোনালী, হাসানপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের নারীরা দলবদ্ধভাবে মাছ ও চিংড়ি চাষে নেমেছেন। কেউ পেয়েছেন সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ, কেউ পেয়েছেন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ। মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় তারা পেয়েছেন চুন, সার, খৈল, পোনা, পিএল ও খাদ্যসহ নানা উপকরণ।
রুদাঘরার মুক্তা বিশ্বাস নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২৫ জনের একটি নারীকেন্দ্রিক মৎস্যচাষি দলকে। বিদেশে প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগও পেয়েছেন তিনি। তার বিশ্বাস—এই দল এলাকার নারীদের স্বপ্ন পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে। একইভাবে ওড়াবুনিয়ার সুজলা মিস্ত্রী, শিবরগরের লাবনী রায়, আইতলার লাবনী রায়ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিজেদের মৎস্যচাষী দলকে।
ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,
“ডুমুরিয়ার নারীরা মাছ চাষে ব্যাপকভাবে আগ্রহী হচ্ছে। মিতালী মণ্ডল, কনিকা বিশ্বাস, মুক্তা বিশ্বাস, কাকলি বিশ্বাসসহ অনেক নারী খুব দক্ষভাবে চাষ করছে। মৎস্য বিভাগ শোভনা, মাগুরাঘোনা ও হাসানপুর প্রকল্পে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সহায়তা দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “গোনালী ও আরাজি সাজিয়াড়া মৎস্যজীবী গ্রাম সমিতি নিয়মিত তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে তারা সফলতার ফল পাচ্ছে।”
ডুমুরিয়ার নারীদের এই অগ্রযাত্রা শুধু পরিবারের অর্থনীতিতে নয়, পুরো অঞ্চলের উন্নয়ন ধারায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
গুটুদিয়ার মিতালী মণ্ডল নিজের ঘেরে চিংড়ি ও সাদা মাছ চাষ করেন। প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা বাড়িয়েছেন, অংশ নিয়েছেন খুলনা–ঢাকার নানা সেমিনারে। স্বামীকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি নিজেও অর্থনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে দাঁড়াতে চান তিনি।
মাগুরাঘোনা গ্রামের ১৫ নারী ও ১০ পুরুষ মিলে লিজ নেওয়া ঘেরে চিংড়ি চাষ করছেন মৎস্য অফিসের সহায়তায়। তারা উন্নত পদ্ধতির চাষ, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা, দক্ষতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। তাদের লক্ষ্য—নিজেদের ও পরিবারের আর্থিক স্থিতি আরও মজবুত করা।
আরাজি সাজিয়াড়া, শোভনা, গোনালী, হাসানপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের নারীরা দলবদ্ধভাবে মাছ ও চিংড়ি চাষে নেমেছেন। কেউ পেয়েছেন সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ, কেউ পেয়েছেন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ। মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় তারা পেয়েছেন চুন, সার, খৈল, পোনা, পিএল ও খাদ্যসহ নানা উপকরণ।
রুদাঘরার মুক্তা বিশ্বাস নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২৫ জনের একটি নারীকেন্দ্রিক মৎস্যচাষি দলকে। বিদেশে প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগও পেয়েছেন তিনি। তার বিশ্বাস—এই দল এলাকার নারীদের স্বপ্ন পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে। একইভাবে ওড়াবুনিয়ার সুজলা মিস্ত্রী, শিবরগরের লাবনী রায়, আইতলার লাবনী রায়ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিজেদের মৎস্যচাষী দলকে।
ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,
“ডুমুরিয়ার নারীরা মাছ চাষে ব্যাপকভাবে আগ্রহী হচ্ছে। মিতালী মণ্ডল, কনিকা বিশ্বাস, মুক্তা বিশ্বাস, কাকলি বিশ্বাসসহ অনেক নারী খুব দক্ষভাবে চাষ করছে। মৎস্য বিভাগ শোভনা, মাগুরাঘোনা ও হাসানপুর প্রকল্পে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সহায়তা দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “গোনালী ও আরাজি সাজিয়াড়া মৎস্যজীবী গ্রাম সমিতি নিয়মিত তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে তারা সফলতার ফল পাচ্ছে।”
ডুমুরিয়ার নারীদের এই অগ্রযাত্রা শুধু পরিবারের অর্থনীতিতে নয়, পুরো অঞ্চলের উন্নয়ন ধারায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন