এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতে ক্যানসারে আক্রান্ত সালেহা বেগমের নাতি তুহিন হোসাইন (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মোট ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমেছে।
মৃত সালেহা বেগম মৃত খাজা মদ্দিনের স্ত্রী। বিলকিস বেগম ছিলেন জর্ডান প্রবাসী, তিন বছর আগে দেশে ফেরেন। তুহিন ছিলেন জয়পুরহাট সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন।
গ্রামবাসী জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিলকিসের শাশুড়ি শেফালী বেগম ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে দেখাশোনা করতে গিয়ে বিলকিসও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। পরদিন রোববার সকালে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। একই দিনে বিলকিসের মা সালেহা বেগমও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হন। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা ডায়রিয়ায় নয়—শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন।
রোববার রাত ৮টার দিকে তুহিন মারা যান, পরদিন সকালে তাকে দাফন করা হয়। সোমবার দুপুর পৌনে ১টায় মারা যান সালেহা বেগম। তার মাত্র ৩৫ মিনিট পর মৃত্যুবরণ করেন মেয়ে বিলকিস। বিকেলে মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছে গ্রামে।
প্রতিবেশী রুবেল হোসেন বলেন, “এত কম সময়ের ব্যবধানে একই পরিবারের তিনজন মারা যাওয়া সত্যিই হৃদয়বিদারক। এলাকায় শোকের ছায়া।”
বিলকিসের স্বামী ছানোয়ার হোসেন বলেন, “মা, স্ত্রী ও শাশুড়ি সবাই অসুস্থ ছিলেন। আমার মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও স্ত্রী আর শাশুড়ি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন।”
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, “মা–মেয়ে দুজনই শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন। তারা ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন না।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতে ক্যানসারে আক্রান্ত সালেহা বেগমের নাতি তুহিন হোসাইন (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মোট ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমেছে।
মৃত সালেহা বেগম মৃত খাজা মদ্দিনের স্ত্রী। বিলকিস বেগম ছিলেন জর্ডান প্রবাসী, তিন বছর আগে দেশে ফেরেন। তুহিন ছিলেন জয়পুরহাট সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন।
গ্রামবাসী জানান, শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিলকিসের শাশুড়ি শেফালী বেগম ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে দেখাশোনা করতে গিয়ে বিলকিসও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। পরদিন রোববার সকালে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। একই দিনে বিলকিসের মা সালেহা বেগমও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হন। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা ডায়রিয়ায় নয়—শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন।
রোববার রাত ৮টার দিকে তুহিন মারা যান, পরদিন সকালে তাকে দাফন করা হয়। সোমবার দুপুর পৌনে ১টায় মারা যান সালেহা বেগম। তার মাত্র ৩৫ মিনিট পর মৃত্যুবরণ করেন মেয়ে বিলকিস। বিকেলে মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছে গ্রামে।
প্রতিবেশী রুবেল হোসেন বলেন, “এত কম সময়ের ব্যবধানে একই পরিবারের তিনজন মারা যাওয়া সত্যিই হৃদয়বিদারক। এলাকায় শোকের ছায়া।”
বিলকিসের স্বামী ছানোয়ার হোসেন বলেন, “মা, স্ত্রী ও শাশুড়ি সবাই অসুস্থ ছিলেন। আমার মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও স্ত্রী আর শাশুড়ি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন।”
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, “মা–মেয়ে দুজনই শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন। তারা ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন না।”

আপনার মতামত লিখুন