দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে যেখানে ভ্রমণের ধারণা প্রতিনিয়ত নতুন রূপ নিচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে রাজধানীর নিকুঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করলো দুটি প্রতিষ্ঠান—পরিবেশবান্ধব পর্যটনের স্বপ্ন বুনে আনা “ইকোট্রিপলি (ecoTriply)” এবং হজ্ব–উমরাহ যাত্রীদের নিরাপদ ও আধ্যাত্মিক ভ্রমণসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে গঠিত “রবের পথ (Rober Path)”।
ভ্রমণ এখন আর কেবল দৃশ্যপটের সৌন্দর্য দেখার বিষয় নয়—এটি মানুষের অন্তর ও প্রকৃতির সঙ্গে এক আধ্যাত্মিক সংলাপের নাম। দায়িত্বশীলতা, নৈতিকতা ও পরিবেশচেতনার এই দর্শনকে সঙ্গী করেই এগিয়ে চলতে চায় নতুন দুই প্রতিষ্ঠান।
সোমবার রাতে নিকুঞ্জে অনুষ্ঠিত হয় এক সুশান্ত পরিবেশমণ্ডিত খতমে কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল, যা কেবল উদ্বোধনী আয়োজন নয়—বরং তাদের মহৎ যাত্রার প্রথম ধাপে সৃষ্টিকর্তার কাছে নতজানু হওয়ার এক পবিত্র প্রয়াস। কুরআন তিলাওয়াতের ধ্বনি উপস্থিত সবাইকে এনে দেয় অপার প্রশান্তি।

অনুষ্ঠানে ইকোট্রিপলি–এর প্রধান নির্বাহী এ এম আইয়ুব বলেন—
“আমরা শুধু গন্তব্যে পৌঁছাব না, বরং প্রতিটি পদক্ষেপে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ব, ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা গড়ে তুলব।”
তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব ও সময়নিষ্ঠ Eco-Tourism–এ নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মাওলানা হোসাইন আহমেদ।
প্রধান আলোচক ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক, সমাজকর্মী এবং খিলক্ষেত টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির আহবায়ক জাহিদ ইকবাল, যিনি বলেন—
“আজকের দিনে যখন সবাই শান্তি খুঁজছে, তখন এই দুই প্রতিষ্ঠান—একটি প্রকৃতির কোলে আর অন্যটি পবিত্র ভূমিতে—মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণে নতুন আলো হয়ে এসেছে।”
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন এম. এইচ. সোহেল, সৈকত সরকার, জাকির হোসেন ভুঁইয়া, এবং অটো কর্নারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাজাহারুল ইসলাম সুমন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন “রবের পথ”–এর প্রধান নির্বাহী ওয়ালীউল্লাহ।
সভাপতিত্ব করেন AIME Global Network–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মঈন উদ্দিন জাহাঙ্গীর, যা পুরো আয়োজনকে দেয় ঐতিহাসিক গুরুত্ব।
সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয় মোনাজাতের সময়। হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমেদ দোয়া পরিচালনা করলে উপস্থিতদের চোখে জল এসে যায়। ব্যবসায়িক সফলতার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক প্রশান্তি—এই দ্বৈত প্রতিশ্রুতির অঙ্গীকারে নতুন দুটি প্রতিষ্ঠানের পথচলা আরও দৃঢ় হয়।
বক্তারা জানান—
“রবের পথ” হাজি-উমরাহ যাত্রীদের প্রতিটি মুহূর্তকে নিরাপদ, পবিত্র ও সুশৃঙ্খল করবে।
আয়োজন শেষে অতিথিদের মনে ছড়িয়ে পড়ে এক অনাবিল শান্তি—যেন তারা কেবল দুটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেননি, বরং প্রকৃতির প্রেম ও রবের পথে যাত্রার এক নতুন অঙ্গীকারে শামিল হয়েছেন।
এটি নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের একটি উজ্জ্বল, দায়িত্বশীল ও আস্থার দিগন্তের সূচনা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫
দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে যেখানে ভ্রমণের ধারণা প্রতিনিয়ত নতুন রূপ নিচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে রাজধানীর নিকুঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করলো দুটি প্রতিষ্ঠান—পরিবেশবান্ধব পর্যটনের স্বপ্ন বুনে আনা “ইকোট্রিপলি (ecoTriply)” এবং হজ্ব–উমরাহ যাত্রীদের নিরাপদ ও আধ্যাত্মিক ভ্রমণসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে গঠিত “রবের পথ (Rober Path)”।
ভ্রমণ এখন আর কেবল দৃশ্যপটের সৌন্দর্য দেখার বিষয় নয়—এটি মানুষের অন্তর ও প্রকৃতির সঙ্গে এক আধ্যাত্মিক সংলাপের নাম। দায়িত্বশীলতা, নৈতিকতা ও পরিবেশচেতনার এই দর্শনকে সঙ্গী করেই এগিয়ে চলতে চায় নতুন দুই প্রতিষ্ঠান।
সোমবার রাতে নিকুঞ্জে অনুষ্ঠিত হয় এক সুশান্ত পরিবেশমণ্ডিত খতমে কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল, যা কেবল উদ্বোধনী আয়োজন নয়—বরং তাদের মহৎ যাত্রার প্রথম ধাপে সৃষ্টিকর্তার কাছে নতজানু হওয়ার এক পবিত্র প্রয়াস। কুরআন তিলাওয়াতের ধ্বনি উপস্থিত সবাইকে এনে দেয় অপার প্রশান্তি।

অনুষ্ঠানে ইকোট্রিপলি–এর প্রধান নির্বাহী এ এম আইয়ুব বলেন—
“আমরা শুধু গন্তব্যে পৌঁছাব না, বরং প্রতিটি পদক্ষেপে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ব, ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা গড়ে তুলব।”
তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব ও সময়নিষ্ঠ Eco-Tourism–এ নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মাওলানা হোসাইন আহমেদ।
প্রধান আলোচক ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক, সমাজকর্মী এবং খিলক্ষেত টানপাড়া কল্যাণ সোসাইটির আহবায়ক জাহিদ ইকবাল, যিনি বলেন—
“আজকের দিনে যখন সবাই শান্তি খুঁজছে, তখন এই দুই প্রতিষ্ঠান—একটি প্রকৃতির কোলে আর অন্যটি পবিত্র ভূমিতে—মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণে নতুন আলো হয়ে এসেছে।”
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন এম. এইচ. সোহেল, সৈকত সরকার, জাকির হোসেন ভুঁইয়া, এবং অটো কর্নারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাজাহারুল ইসলাম সুমন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন “রবের পথ”–এর প্রধান নির্বাহী ওয়ালীউল্লাহ।
সভাপতিত্ব করেন AIME Global Network–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মঈন উদ্দিন জাহাঙ্গীর, যা পুরো আয়োজনকে দেয় ঐতিহাসিক গুরুত্ব।
সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয় মোনাজাতের সময়। হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমেদ দোয়া পরিচালনা করলে উপস্থিতদের চোখে জল এসে যায়। ব্যবসায়িক সফলতার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক প্রশান্তি—এই দ্বৈত প্রতিশ্রুতির অঙ্গীকারে নতুন দুটি প্রতিষ্ঠানের পথচলা আরও দৃঢ় হয়।
বক্তারা জানান—
“রবের পথ” হাজি-উমরাহ যাত্রীদের প্রতিটি মুহূর্তকে নিরাপদ, পবিত্র ও সুশৃঙ্খল করবে।
আয়োজন শেষে অতিথিদের মনে ছড়িয়ে পড়ে এক অনাবিল শান্তি—যেন তারা কেবল দুটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেননি, বরং প্রকৃতির প্রেম ও রবের পথে যাত্রার এক নতুন অঙ্গীকারে শামিল হয়েছেন।
এটি নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের একটি উজ্জ্বল, দায়িত্বশীল ও আস্থার দিগন্তের সূচনা।

আপনার মতামত লিখুন