স্বাধীনতার ঘোষণার পর নড়াইল জুড়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি গড়ে ওঠে। তৎকালীন এসডিও’র বাসভবনকে করা হয় মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় সদর দপ্তর। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এসডিও কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বাহিনী যশোর অভিমুখে পাঠানো হয়।
৬ এপ্রিল পাকিস্তানি বিমান থেকে নড়াইল শহরে বোমা ও গুলিবর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর বিভিন্ন স্থানে ঘটে নৃশংসতা—
২৩ মে ইতনা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করে হানাদার বাহিনী।
চিত্রা নদীর পাড়ে প্রায় ৩ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়।
তুলারামপুর গ্রামের তরফদার পরিবারসহ একাধিক স্থানীয়কে ধরে এনে পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের ভেতরে গণকবর দেওয়া হয়।
৮ ডিসেম্বর লোহাগড়া থানার ঘাঁটি আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা আত্মসমর্পণে বাধ্য করেন হানাদার বাহিনীকে। ৯ ডিসেম্বর ভিক্টোরিয়া কলেজের দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণের সময় বাগডাঙ্গা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান শহীদ হন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাংলোতে থাকা ৪০ জন পাকসেনা পরদিন আত্মসমর্পণ করে।
১০ ডিসেম্বর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে নড়াইলকে আনুষ্ঠানিকভাবে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করা হয় এবং ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধে পাঁচজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর:
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ
বীর উত্তম মুজিবুর রহমান
বীর বিক্রম আফজাল হোসেন
বীর প্রতীক খোরশেদ আলম
বীর প্রতীক মতিয়ার রহমান
মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বধ্যভূমি ও গণকবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
স্বাধীনতার ঘোষণার পর নড়াইল জুড়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি গড়ে ওঠে। তৎকালীন এসডিও’র বাসভবনকে করা হয় মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় সদর দপ্তর। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এসডিও কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বাহিনী যশোর অভিমুখে পাঠানো হয়।
৬ এপ্রিল পাকিস্তানি বিমান থেকে নড়াইল শহরে বোমা ও গুলিবর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর বিভিন্ন স্থানে ঘটে নৃশংসতা—
২৩ মে ইতনা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করে হানাদার বাহিনী।
চিত্রা নদীর পাড়ে প্রায় ৩ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়।
তুলারামপুর গ্রামের তরফদার পরিবারসহ একাধিক স্থানীয়কে ধরে এনে পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের ভেতরে গণকবর দেওয়া হয়।
৮ ডিসেম্বর লোহাগড়া থানার ঘাঁটি আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা আত্মসমর্পণে বাধ্য করেন হানাদার বাহিনীকে। ৯ ডিসেম্বর ভিক্টোরিয়া কলেজের দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণের সময় বাগডাঙ্গা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান শহীদ হন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাংলোতে থাকা ৪০ জন পাকসেনা পরদিন আত্মসমর্পণ করে।
১০ ডিসেম্বর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে নড়াইলকে আনুষ্ঠানিকভাবে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করা হয় এবং ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধে পাঁচজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর:
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ
বীর উত্তম মুজিবুর রহমান
বীর বিক্রম আফজাল হোসেন
বীর প্রতীক খোরশেদ আলম
বীর প্রতীক মতিয়ার রহমান
মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বধ্যভূমি ও গণকবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন