ডুমুরিয়া, খুলনা, ১৫ ডিসেম্বর: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এ সপ্তাহে শীতকালীন সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নাগালের মধ্যে দাম দাঁড়াচ্ছে।
বাজার পরিদর্শনে দেখা গেছে, পালংশাক ও ফুলকপি কেজিতে ৩০-৪০ টাকা, লাউ ২০-৪০ টাকা, কুমড়া ও ঢ্যাঁড়স ৪০-৫০ টাকা, টমেটো ৬০-৮০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ১১০-১৩০ টাকা, রসুন ৮০-১০০ টাকা এবং আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে রয়েছে।

মাছ ও মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০ টাকা, লেয়ার ২৩৫ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসি ১১৫০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে রুই ২২০-২৫০ টাকা, ভেটকি ৫০০-৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৬০-১৮০ টাকা, কাতল ২৪০-২৫০ টাকা এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সরবরাহ এইভাবে বৃদ্ধি পেলে আগামী সপ্তাহে দাম আরও কমতে পারে। ক্রেতারা জানান, সবজির দাম কমে স্বস্তি এসেছে, তবে পেঁয়াজ, রসুন এবং গরুর মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।
সূত্র:

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
ডুমুরিয়া, খুলনা, ১৫ ডিসেম্বর: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এ সপ্তাহে শীতকালীন সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নাগালের মধ্যে দাম দাঁড়াচ্ছে।
বাজার পরিদর্শনে দেখা গেছে, পালংশাক ও ফুলকপি কেজিতে ৩০-৪০ টাকা, লাউ ২০-৪০ টাকা, কুমড়া ও ঢ্যাঁড়স ৪০-৫০ টাকা, টমেটো ৬০-৮০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ১১০-১৩০ টাকা, রসুন ৮০-১০০ টাকা এবং আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে রয়েছে।

মাছ ও মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০ টাকা, লেয়ার ২৩৫ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসি ১১৫০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে রুই ২২০-২৫০ টাকা, ভেটকি ৫০০-৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৬০-১৮০ টাকা, কাতল ২৪০-২৫০ টাকা এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সরবরাহ এইভাবে বৃদ্ধি পেলে আগামী সপ্তাহে দাম আরও কমতে পারে। ক্রেতারা জানান, সবজির দাম কমে স্বস্তি এসেছে, তবে পেঁয়াজ, রসুন এবং গরুর মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।
সূত্র:

আপনার মতামত লিখুন