মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
আহতরা হলেন—অঞ্জনা রাজবংশী (৫৫) এবং তার মেয়ে বৈশাখী রাজবংশী (২৫)। এই ঘটনায় বৈশাখী রাজবংশী বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার সাধন রাজবংশীর ছেলেদের সঙ্গে পরিবারের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে সুলক্ষণ রাজবংশী তুচ্ছ ঘটনায় অঞ্জনা রাজবংশীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। প্রতিবাদ করলে হামলাকারীরা বসতঘরে ঢুকে অঞ্জনাকে চুলের মুঠি ধরে টেনে-হেঁচড়ে বাইরে নিয়ে আসে।
এ সময় সাধন রাজবংশীর নির্দেশে তার তিন ছেলে হরি ভূষণ রাজবংশী (৪২), নিখিল রাজবংশী (৩৫), সুলক্ষণ রাজবংশী (৩৮) এবং নাতি বিশাল রাজবংশী (১৬) দেশীয় অস্ত্র ও ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে মা-মেয়ের ওপর হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীরা জানান, হামলা চলাকালীন হরি ভূষণ বৈশাখীকে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করেন। এসময় সুলক্ষণ বৈশাখীর গলা থেকে ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করতে গেলে বিশাল রাজবংশী প্রায় ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্মার্টফোন আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে। প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
হামলার শিকার অঞ্জনা রাজবংশী বলেন, "সুলক্ষণ একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। বাড়ির পাশে সে নিয়মিত মাদকের কারবার চালায়। আমরা প্রতিবাদ করলেই তারা দলবল নিয়ে আমাদের ওপর হামলা ও খুনের হুমকি দেয়।" স্থানীয় বাসিন্দা আকলিমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এর আগে লক্ষ্মণ গংরা আমার ছেলে মিল্টনকে পিটিয়ে হত্যা করে জমি দখল করে নিয়েছিল।" বৈশাখীর চাচি প্রভা রাজবংশীও পরিবারের ওই সদস্যদের উগ্র আচরণের কথা স্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শ্রীনগর থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
আহতরা হলেন—অঞ্জনা রাজবংশী (৫৫) এবং তার মেয়ে বৈশাখী রাজবংশী (২৫)। এই ঘটনায় বৈশাখী রাজবংশী বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার সাধন রাজবংশীর ছেলেদের সঙ্গে পরিবারের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে সুলক্ষণ রাজবংশী তুচ্ছ ঘটনায় অঞ্জনা রাজবংশীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। প্রতিবাদ করলে হামলাকারীরা বসতঘরে ঢুকে অঞ্জনাকে চুলের মুঠি ধরে টেনে-হেঁচড়ে বাইরে নিয়ে আসে।
এ সময় সাধন রাজবংশীর নির্দেশে তার তিন ছেলে হরি ভূষণ রাজবংশী (৪২), নিখিল রাজবংশী (৩৫), সুলক্ষণ রাজবংশী (৩৮) এবং নাতি বিশাল রাজবংশী (১৬) দেশীয় অস্ত্র ও ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে মা-মেয়ের ওপর হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীরা জানান, হামলা চলাকালীন হরি ভূষণ বৈশাখীকে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করেন। এসময় সুলক্ষণ বৈশাখীর গলা থেকে ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করতে গেলে বিশাল রাজবংশী প্রায় ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্মার্টফোন আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে। প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
হামলার শিকার অঞ্জনা রাজবংশী বলেন, "সুলক্ষণ একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। বাড়ির পাশে সে নিয়মিত মাদকের কারবার চালায়। আমরা প্রতিবাদ করলেই তারা দলবল নিয়ে আমাদের ওপর হামলা ও খুনের হুমকি দেয়।" স্থানীয় বাসিন্দা আকলিমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এর আগে লক্ষ্মণ গংরা আমার ছেলে মিল্টনকে পিটিয়ে হত্যা করে জমি দখল করে নিয়েছিল।" বৈশাখীর চাচি প্রভা রাজবংশীও পরিবারের ওই সদস্যদের উগ্র আচরণের কথা স্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শ্রীনগর থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন