জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড় | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার রাত থেকেই পুরো জেলা ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসের কারণে জবুথবু অবস্থা বিরাজ করছে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
তীব্র কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করেই ভোরে কাজে বের হতে হচ্ছে দিনমজুরদের। দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও কুয়াশার তীব্রতায় রোদের উত্তাপ খুব একটা অনুভূত হচ্ছে না। ফলে ছিন্নমূল ও দিনমজুরদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
তীব্র শীত আর কুয়াশার প্রভাবে পঞ্চগড়ে ঘরে ঘরে বাড়ছে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা এসব শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড় | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার রাত থেকেই পুরো জেলা ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসের কারণে জবুথবু অবস্থা বিরাজ করছে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
তীব্র কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করেই ভোরে কাজে বের হতে হচ্ছে দিনমজুরদের। দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও কুয়াশার তীব্রতায় রোদের উত্তাপ খুব একটা অনুভূত হচ্ছে না। ফলে ছিন্নমূল ও দিনমজুরদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
তীব্র শীত আর কুয়াশার প্রভাবে পঞ্চগড়ে ঘরে ঘরে বাড়ছে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা এসব শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন