নিজস্ব প্রতিবেদক, জাবি | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রথম দিনের পরীক্ষা মোট ছয়টি শিফটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতি শিফটে এক ঘণ্টা করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আজ কলা ও মানবিকী অনুষদ, আইন অনুষদ এবং তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটভুক্ত 'সি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ বছর ‘সি’ ইউনিটে ৪৬৬টি আসনের বিপরীতে লড়ছেন ৪৭ হাজার ৪৯৭ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ, এই ইউনিটে প্রতি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০১ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর জাবিতে ভর্তির জন্য মোট ৭টি ইউনিটে ১ হাজার ৮৪২টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৯৯ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। গড়ে প্রতিটি আসনের জন্য ১১৯ জন পরীক্ষার্থী লড়ছেন। পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও মান নিয়ে শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করলেও, বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা না হওয়ায় দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা অভিভাবকরা চরম ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন। কেন্দ্র কেবল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হওয়ায় আবাসন ও যাতায়াত সংকটে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানান, প্রয়োজনীয় সময় ও শিডিউল না পাওয়ার কারণে এবার বিভাগীয় শহরে কেন্দ্র করা সম্ভব হয়নি। তবে আগামী বছর এই সংকট কাটিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
ভর্তি পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের জালিয়াতি, ডিজিটাল ডিভাইসের অপব্যবহার বা অনিয়ম রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম বলেন,
"পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং জালিয়াতি রুখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রক্টোরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক, জাবি | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রথম দিনের পরীক্ষা মোট ছয়টি শিফটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতি শিফটে এক ঘণ্টা করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আজ কলা ও মানবিকী অনুষদ, আইন অনুষদ এবং তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটভুক্ত 'সি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ বছর ‘সি’ ইউনিটে ৪৬৬টি আসনের বিপরীতে লড়ছেন ৪৭ হাজার ৪৯৭ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ, এই ইউনিটে প্রতি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০১ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর জাবিতে ভর্তির জন্য মোট ৭টি ইউনিটে ১ হাজার ৮৪২টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৯৯ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। গড়ে প্রতিটি আসনের জন্য ১১৯ জন পরীক্ষার্থী লড়ছেন। পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও মান নিয়ে শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করলেও, বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা না হওয়ায় দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা অভিভাবকরা চরম ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন। কেন্দ্র কেবল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হওয়ায় আবাসন ও যাতায়াত সংকটে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানান, প্রয়োজনীয় সময় ও শিডিউল না পাওয়ার কারণে এবার বিভাগীয় শহরে কেন্দ্র করা সম্ভব হয়নি। তবে আগামী বছর এই সংকট কাটিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
ভর্তি পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের জালিয়াতি, ডিজিটাল ডিভাইসের অপব্যবহার বা অনিয়ম রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম বলেন,
"পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং জালিয়াতি রুখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রক্টোরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।"

আপনার মতামত লিখুন