২২ ডিসেম্বর ২০২৫
গ্রেপ্তার অভিযান: র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গতকাল রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকার আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত জামাল তিতাস উপজেলার শিবপুর এলাকার দিলু মিয়ার ছেলে। সোমবার সকালে র্যাব-১১ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার বিবরণ: গত ১০ অক্টোবর তিতাস উপজেলার শিবপুর শিকদার বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সেদিন ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে জামাল উদ্দিন তার স্ত্রী ও মেয়ে মারিয়াকে প্রচণ্ড মারধর করেন। বাবার মারধরে মেয়ে মারিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এই খবর শুনে শাশুড়ি সুফিয়া বেগম (৭০) জামাতার বাড়িতে এসে মারধরের কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জামাল তার শাশুড়িকে মারধর শুরু করেন এবং একপর্যায়ে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ির পাশের একটি খালের পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে জামাল পালিয়ে যান।
মামলা ও আইনি ব্যবস্থা: হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের নাতি বাদী হয়ে তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জামাল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। আজ সোমবার তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
২২ ডিসেম্বর ২০২৫
গ্রেপ্তার অভিযান: র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গতকাল রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকার আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত জামাল তিতাস উপজেলার শিবপুর এলাকার দিলু মিয়ার ছেলে। সোমবার সকালে র্যাব-১১ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার বিবরণ: গত ১০ অক্টোবর তিতাস উপজেলার শিবপুর শিকদার বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সেদিন ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে জামাল উদ্দিন তার স্ত্রী ও মেয়ে মারিয়াকে প্রচণ্ড মারধর করেন। বাবার মারধরে মেয়ে মারিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এই খবর শুনে শাশুড়ি সুফিয়া বেগম (৭০) জামাতার বাড়িতে এসে মারধরের কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জামাল তার শাশুড়িকে মারধর শুরু করেন এবং একপর্যায়ে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ির পাশের একটি খালের পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে জামাল পালিয়ে যান।
মামলা ও আইনি ব্যবস্থা: হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের নাতি বাদী হয়ে তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জামাল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। আজ সোমবার তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন