২২ ডিসেম্বর ২০২৫
বর্তমান পরিস্থিতি: বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মাত্র ১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১৩ জন। অন্যদিকে, জেলার ৫টি উপজেলার মধ্যে শুধু পাথরঘাটায় ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, বাকি ৪টি উপজেলায় নতুন কোনো রোগী ভর্তি হয়নি। বর্তমানে পুরো জেলায় মোট চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২৬ জন।
আইইডিসিআরের পর্যবেক্ষণ: এ বছর বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে গত ১৫ জুন স্বাস্থ্য বিভাগ জেলাটিকে ডেঙ্গুর ‘হটস্পট’ ঘোষণা করে। পরিস্থিতি অনুসন্ধানে ১৭ জুন আইইডিসিআরের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বরগুনার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান: সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর জেলাটিতে মোট ৯ হাজার ৭৩২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে:
সুস্থ হয়েছেন: ৯ হাজার ৭০৬ জন।
জেলায় মৃত্যু: সরকারি হিসেবে মোট ১৫ জন (জেনারেল হাসপাতালে ১২ জন, পাথরঘাটায় ২ জন এবং আমতলীতে ১ জন)।
অন্যত্র মৃত্যু: জেলার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও অন্তত ৪৯ জন বরগুনাবাসীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ জানান, বরিশাল বিভাগের মোট আক্রান্তের ৪৬ শতাংশই ছিল বরগুনায়। তিনি বলেন, “বিগত দুই মাস ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে আমরা এখন স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছি।”
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে প্রচার অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের লাকুরতলাসহ যেসব এলাকায় লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে, সেখানকার বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে এবং সংরক্ষিত বৃষ্টির পানি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
২২ ডিসেম্বর ২০২৫
বর্তমান পরিস্থিতি: বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মাত্র ১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১৩ জন। অন্যদিকে, জেলার ৫টি উপজেলার মধ্যে শুধু পাথরঘাটায় ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, বাকি ৪টি উপজেলায় নতুন কোনো রোগী ভর্তি হয়নি। বর্তমানে পুরো জেলায় মোট চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২৬ জন।
আইইডিসিআরের পর্যবেক্ষণ: এ বছর বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে গত ১৫ জুন স্বাস্থ্য বিভাগ জেলাটিকে ডেঙ্গুর ‘হটস্পট’ ঘোষণা করে। পরিস্থিতি অনুসন্ধানে ১৭ জুন আইইডিসিআরের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বরগুনার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান: সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর জেলাটিতে মোট ৯ হাজার ৭৩২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে:
সুস্থ হয়েছেন: ৯ হাজার ৭০৬ জন।
জেলায় মৃত্যু: সরকারি হিসেবে মোট ১৫ জন (জেনারেল হাসপাতালে ১২ জন, পাথরঘাটায় ২ জন এবং আমতলীতে ১ জন)।
অন্যত্র মৃত্যু: জেলার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও অন্তত ৪৯ জন বরগুনাবাসীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ জানান, বরিশাল বিভাগের মোট আক্রান্তের ৪৬ শতাংশই ছিল বরগুনায়। তিনি বলেন, “বিগত দুই মাস ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে আমরা এখন স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছি।”
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে প্রচার অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের লাকুরতলাসহ যেসব এলাকায় লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে, সেখানকার বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে এবং সংরক্ষিত বৃষ্টির পানি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন