২২ ডিসেম্বর ২০২৫
নিহত শাহিন হোসেন কুমারখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, ব্রেন সংক্রান্ত জটিলতা ও চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শাহিন হোসেন নিয়মিত তাবলীগ জামায়াতের সাথে যুক্ত ছিলেন। গত রোববার বিকেলে আসরের নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে কুমারখালী বড় জামে মসজিদে যান। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে কুমারখালী সরকারি কলেজের পুকুরে তার ব্যবহৃত স্যান্ডেল ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে রোববার রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তবে কুয়াশা ও অন্ধকারের কারণে রাত ১০টায় অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে পুনরায় দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান শুরু হলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী সাহিদা বেগম জানান, তার স্বামী অসুস্থতার কারণে চোখে কম দেখতেন। নামাজ পড়তে গিয়ে অসাবধানতাবশত পুকুরে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। কারো প্রতি কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা ইন্দ্র প্রসাদ বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্যান্ডেলের সূত্র ধরে দুই দফায় অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা সক্ষম হয়েছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি দুর্ঘটনা। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।" আজই স্থানীয় কবরস্থানে নিহতের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
২২ ডিসেম্বর ২০২৫
নিহত শাহিন হোসেন কুমারখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, ব্রেন সংক্রান্ত জটিলতা ও চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শাহিন হোসেন নিয়মিত তাবলীগ জামায়াতের সাথে যুক্ত ছিলেন। গত রোববার বিকেলে আসরের নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে কুমারখালী বড় জামে মসজিদে যান। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে কুমারখালী সরকারি কলেজের পুকুরে তার ব্যবহৃত স্যান্ডেল ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে রোববার রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তবে কুয়াশা ও অন্ধকারের কারণে রাত ১০টায় অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে পুনরায় দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান শুরু হলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী সাহিদা বেগম জানান, তার স্বামী অসুস্থতার কারণে চোখে কম দেখতেন। নামাজ পড়তে গিয়ে অসাবধানতাবশত পুকুরে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। কারো প্রতি কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা ইন্দ্র প্রসাদ বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্যান্ডেলের সূত্র ধরে দুই দফায় অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা সক্ষম হয়েছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি দুর্ঘটনা। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।" আজই স্থানীয় কবরস্থানে নিহতের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন