২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউসের এআইআর (AIR) শাখার সহযোগিতায় এই তল্লাশি চালানো হয়।
ফ্লাইট ১ (দুবাই থেকে): ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (বিএস-৩৪৪) চারজন যাত্রীর কাছ থেকে ৯৮৯ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত যাত্রীরা হলেন— মিজানুর রহমান, মো. রেদোয়ান, রেজাউল করিম এবং সালাউদ্দিন।
ফ্লাইট ২ (শারজাহ থেকে): এয়ার অ্যারাবিয়ার (জি ৯৫২০) একটি ফ্লাইটে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ৫২৫ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত সিগারেটগুলো জনপ্রিয় 'মন্ড' (Mond) ব্র্যান্ডের। মোট ৩ লাখ ২ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে।
আমদানি নীতি আদেশ ২০২২-২৫ অনুযায়ী সিগারেট একটি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান:
প্যাকেটে বাধ্যতামূলক সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বাণী ও ছবি ছিল না।
উচ্চ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ব্যাগেজের মাধ্যমে এগুলো পাচারের চেষ্টা করা হয়েছিল।
শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানান, জব্দকৃত পণ্যগুলো ডিটেনশন মেমো (DM) মূলে কাস্টমস হাউসের গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউসের এআইআর (AIR) শাখার সহযোগিতায় এই তল্লাশি চালানো হয়।
ফ্লাইট ১ (দুবাই থেকে): ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (বিএস-৩৪৪) চারজন যাত্রীর কাছ থেকে ৯৮৯ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত যাত্রীরা হলেন— মিজানুর রহমান, মো. রেদোয়ান, রেজাউল করিম এবং সালাউদ্দিন।
ফ্লাইট ২ (শারজাহ থেকে): এয়ার অ্যারাবিয়ার (জি ৯৫২০) একটি ফ্লাইটে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ৫২৫ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত সিগারেটগুলো জনপ্রিয় 'মন্ড' (Mond) ব্র্যান্ডের। মোট ৩ লাখ ২ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে।
আমদানি নীতি আদেশ ২০২২-২৫ অনুযায়ী সিগারেট একটি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান:
প্যাকেটে বাধ্যতামূলক সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বাণী ও ছবি ছিল না।
উচ্চ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ব্যাগেজের মাধ্যমে এগুলো পাচারের চেষ্টা করা হয়েছিল।
শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানান, জব্দকৃত পণ্যগুলো ডিটেনশন মেমো (DM) মূলে কাস্টমস হাউসের গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন