২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের অন্যতম সর্বনিম্ন।
সড়ক ও চরাঞ্চলের চিত্র: সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়কগুলোতে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। জেলার প্রায় সাড়ে ৪০০ চরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। বৃষ্টির মতো ঝরে পড়া কুয়াশায় নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষজন চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কনকনে ঠান্ডায় কৃষি খাতের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে; বিশেষ করে সবজি খেত ও বোরো বীজতলা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
শ্রমজীবী মানুষের আর্তি: পৌর শহরের ভেলাকোপা এলাকার হোটেল শ্রমিক আনিছুর রহমান বলেন, "সারারাত কনকনে ঠান্ডা, দিনেও একই অবস্থা। ঘরে বসে থাকলে পেটে ভাত জুটবে না, তাই বাধ্য হয়ে কাজে বের হয়েছি।" একই সুরে উলিপুরের কৃষক আব্দুল জলিল জানান, হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় জমিতে কাজ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চিকিৎসা: শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলায় বাড়ছে সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আল-আমিন মাসুদ জানান, কুয়াশা ও ধুলাবালি থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হবে এবং এই সময়ে তাদের বাড়তি যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস: রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, বুধবার সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেন, চলতি সপ্তাহেই জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের অন্যতম সর্বনিম্ন।
সড়ক ও চরাঞ্চলের চিত্র: সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়কগুলোতে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। জেলার প্রায় সাড়ে ৪০০ চরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। বৃষ্টির মতো ঝরে পড়া কুয়াশায় নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষজন চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কনকনে ঠান্ডায় কৃষি খাতের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে; বিশেষ করে সবজি খেত ও বোরো বীজতলা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
শ্রমজীবী মানুষের আর্তি: পৌর শহরের ভেলাকোপা এলাকার হোটেল শ্রমিক আনিছুর রহমান বলেন, "সারারাত কনকনে ঠান্ডা, দিনেও একই অবস্থা। ঘরে বসে থাকলে পেটে ভাত জুটবে না, তাই বাধ্য হয়ে কাজে বের হয়েছি।" একই সুরে উলিপুরের কৃষক আব্দুল জলিল জানান, হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় জমিতে কাজ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চিকিৎসা: শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলায় বাড়ছে সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আল-আমিন মাসুদ জানান, কুয়াশা ও ধুলাবালি থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হবে এবং এই সময়ে তাদের বাড়তি যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস: রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, বুধবার সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেন, চলতি সপ্তাহেই জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন