২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নিজরবিডি
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে বটিয়াঘাটা থানাধীন দারোগার ভিটা এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত আক্তার হোসেন নগরীর গল্লামারি এলাকার চাঁদ আলী মোল্লার ছেলে। তিনি খুলনা বড় বাজার এলাকার একটি হোটেলে কর্মরত আছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ: আহত আক্তার হোসেন জানান, সকালে তিনি নিজ বাড়িতেই ছিলেন। ওই সময় তার ভাগ্নে শাহেদের বন্ধুরা তাকে ডেকে বটিয়াঘাটার দারোগার ভিটায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর কিছু বুঝে ওঠার আগেই ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত তাকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই হাতে কোপাতে থাকে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।
চিকিৎসকের বক্তব্য: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. বাপ্পা রাজ বলেন, "ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতই গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে বাম হাতের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আমরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছি।"
পুলিশের ভাষ্য: বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারীরা আক্তার হোসেনের পূর্ব পরিচিত। তারা মোটরসাইকেলে করে তাকে আলীনগর এলাকার একটি বিলের মধ্যে নিয়ে গিয়ে এই হামলা চালায়। হামলাকারীদের ধারণা ছিল আক্তার হোসেন পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করেন এবং তাদের সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দেন। এই সন্দেহের জের ধরেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নিজরবিডি
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে বটিয়াঘাটা থানাধীন দারোগার ভিটা এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত আক্তার হোসেন নগরীর গল্লামারি এলাকার চাঁদ আলী মোল্লার ছেলে। তিনি খুলনা বড় বাজার এলাকার একটি হোটেলে কর্মরত আছেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ: আহত আক্তার হোসেন জানান, সকালে তিনি নিজ বাড়িতেই ছিলেন। ওই সময় তার ভাগ্নে শাহেদের বন্ধুরা তাকে ডেকে বটিয়াঘাটার দারোগার ভিটায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর কিছু বুঝে ওঠার আগেই ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত তাকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই হাতে কোপাতে থাকে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।
চিকিৎসকের বক্তব্য: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. বাপ্পা রাজ বলেন, "ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতই গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে বাম হাতের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আমরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছি।"
পুলিশের ভাষ্য: বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারীরা আক্তার হোসেনের পূর্ব পরিচিত। তারা মোটরসাইকেলে করে তাকে আলীনগর এলাকার একটি বিলের মধ্যে নিয়ে গিয়ে এই হামলা চালায়। হামলাকারীদের ধারণা ছিল আক্তার হোসেন পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করেন এবং তাদের সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দেন। এই সন্দেহের জের ধরেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন