বক্তারা আরও বলেন, এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং এর নেপথ্যে কারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তা প্রকাশ করতে হবে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সঠিক বিচার নিশ্চিত না হলে বর্তমান সরকার ব্যর্থ প্রমাণিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।
সাংবাদিকরা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেই। ফলে নিজেদের সুরক্ষার দায়িত্ব অনেকটাই সাংবাদিকদের নিজেদেরই নিতে হচ্ছে। দল-মত ও মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সাংবাদিক পরিচয়কে সামনে রেখে আরও সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
তাঁদের ভাষ্য, আগে ঘটে যাওয়া গণমাধ্যমে হামলার ঘটনায় যদি ধারাবাহিকভাবে জোরালো প্রতিবাদ গড়ে তোলা যেত, তাহলে হামলাকারীরা নতুন করে কোনো গণমাধ্যমে আঘাত হানার আগে বহুবার ভাবতে বাধ্য হতো।
মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা (এমইউজে) সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি ও মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার মো. রাশিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির সভাপতি কৌশিক দে, খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আবু হেনা মোস্তফা জামাল পপলু, নয়াদিগন্তের ব্যুরো প্রধান মো. এরশাদ আলী, সমকালের খুলনা অফিস প্রধান আবুল হাসান হিমালয়, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার কোষাধ্যক্ষ ও খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম মতি, যমুনা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান শেখ আল-এহসান, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সহসভাপতি ও আজকের পত্রিকার খুলনা প্রতিনিধি কাজী শামীম আহমেদ, একুশে টেলিভিশনের খুলনা প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম নূর, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন খুলনার সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, দীপ্ত টিভির ব্যুরো প্রধান ইয়াসীন আরাফাত রুমি, যুগান্তরের খুলনা ব্যুরো প্রধান আহমেদ মুসা রঞ্জু, চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের খুলনা ব্যুরো প্রধান বেল্লাল হোসেন সজল এবং যমুনা টিভির খুলনা প্রতিনিধি প্রবীর কুমার বিশ্বাস।
এ ছাড়া মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কালবেলার ব্যুরো প্রধান বশির হোসেন, খুলনাঞ্চলের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রানা কবীর, ডিবিসি টেলিভিশনের খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. আমিরুল ইসলাম, এখন টিভির প্রতিবেদক রামীম চৌধুরী, হেলাল আহমেদ মোল্লা, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির প্রতিবেদক অভিজিৎ পাল, চ্যানেল ওয়ানের প্রতিবেদক সোহেল মাহমুদ,
আলোকিত বাংলাদেশের খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. রাজু আহমেদ, দৈনিক জন্মভূমির সাংবাদিক দেবব্রত রায়, দেশ রূপান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক আমিনুল ইসলাম, জন্মভূমির নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুল হামিদ, সময় টিভির প্রতিবেদক আবদুল্লাহ আল মামুন রুবেল ও তানজীম আহমেদ, আমার দেশের নিজস্ব প্রতিবেদক মো. কামরুল ইসলাম মনি, প্রথম আলোর খুলনা প্রতিনিধি উত্তম মণ্ডল, প্রথম আলোর ফটো সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেন, দ্য ডেইলি স্টারের খুলনা প্রতিনিধি দীপঙ্কর রায়, দ্য ডেইলি স্টারের ফটো সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, এনপিবির ইমরান হোসেন এবং ভয়েস অব টাইগারের উম্মে উমামা রাত্রি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার এই চেষ্টা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য গভীর অশনিসংকেত। দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মব সন্ত্রাস আরও বাড়বে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
বক্তারা আরও বলেন, এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং এর নেপথ্যে কারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তা প্রকাশ করতে হবে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সঠিক বিচার নিশ্চিত না হলে বর্তমান সরকার ব্যর্থ প্রমাণিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।
সাংবাদিকরা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেই। ফলে নিজেদের সুরক্ষার দায়িত্ব অনেকটাই সাংবাদিকদের নিজেদেরই নিতে হচ্ছে। দল-মত ও মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সাংবাদিক পরিচয়কে সামনে রেখে আরও সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
তাঁদের ভাষ্য, আগে ঘটে যাওয়া গণমাধ্যমে হামলার ঘটনায় যদি ধারাবাহিকভাবে জোরালো প্রতিবাদ গড়ে তোলা যেত, তাহলে হামলাকারীরা নতুন করে কোনো গণমাধ্যমে আঘাত হানার আগে বহুবার ভাবতে বাধ্য হতো।
মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা (এমইউজে) সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি ও মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার মো. রাশিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির সভাপতি কৌশিক দে, খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আবু হেনা মোস্তফা জামাল পপলু, নয়াদিগন্তের ব্যুরো প্রধান মো. এরশাদ আলী, সমকালের খুলনা অফিস প্রধান আবুল হাসান হিমালয়, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার কোষাধ্যক্ষ ও খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম মতি, যমুনা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান শেখ আল-এহসান, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সহসভাপতি ও আজকের পত্রিকার খুলনা প্রতিনিধি কাজী শামীম আহমেদ, একুশে টেলিভিশনের খুলনা প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম নূর, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন খুলনার সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, দীপ্ত টিভির ব্যুরো প্রধান ইয়াসীন আরাফাত রুমি, যুগান্তরের খুলনা ব্যুরো প্রধান আহমেদ মুসা রঞ্জু, চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের খুলনা ব্যুরো প্রধান বেল্লাল হোসেন সজল এবং যমুনা টিভির খুলনা প্রতিনিধি প্রবীর কুমার বিশ্বাস।
এ ছাড়া মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কালবেলার ব্যুরো প্রধান বশির হোসেন, খুলনাঞ্চলের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রানা কবীর, ডিবিসি টেলিভিশনের খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. আমিরুল ইসলাম, এখন টিভির প্রতিবেদক রামীম চৌধুরী, হেলাল আহমেদ মোল্লা, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির প্রতিবেদক অভিজিৎ পাল, চ্যানেল ওয়ানের প্রতিবেদক সোহেল মাহমুদ,
আলোকিত বাংলাদেশের খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. রাজু আহমেদ, দৈনিক জন্মভূমির সাংবাদিক দেবব্রত রায়, দেশ রূপান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক আমিনুল ইসলাম, জন্মভূমির নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুল হামিদ, সময় টিভির প্রতিবেদক আবদুল্লাহ আল মামুন রুবেল ও তানজীম আহমেদ, আমার দেশের নিজস্ব প্রতিবেদক মো. কামরুল ইসলাম মনি, প্রথম আলোর খুলনা প্রতিনিধি উত্তম মণ্ডল, প্রথম আলোর ফটো সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেন, দ্য ডেইলি স্টারের খুলনা প্রতিনিধি দীপঙ্কর রায়, দ্য ডেইলি স্টারের ফটো সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, এনপিবির ইমরান হোসেন এবং ভয়েস অব টাইগারের উম্মে উমামা রাত্রি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার এই চেষ্টা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য গভীর অশনিসংকেত। দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মব সন্ত্রাস আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন