২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি

আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে এবং চাষ পদ্ধতি বিনিময়ের লক্ষ্যে এই সফরের আয়োজন করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম চাষিদের স্বাগত জানান। দাকোপ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক দলটির নেতৃত্ব দেন।

চাষিরা সাতক্ষীরার ধূলিহরে 'বটম ক্লিন' এবং 'বায়োফ্লক' পদ্ধতিতে উচ্চ ঘনত্বে নিবিড় বাগদা চাষের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
ঘের মালিক লিটু জাল টেনে চাষিদের মাছ দেখান এবং আধুনিক ঘের ব্যবস্থাপনার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।
পরিদর্শনকালে জানানো হয়, এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে হেক্টর প্রতি ১৫ টন চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব, যা সনাতন পদ্ধতির চেয়ে প্রায় ৪৫ গুণ বেশি।
খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, "চাষিরা যদি এই আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করেন, তবে উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। এটি বাংলাদেশের মৎস্য খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।"
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা চাষিদের আয়-ব্যয় এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।

সফর শেষে চাষিরা চিংড়ি নার্সারি ব্যবস্থাপনা, বায়োসিকিউরিটি এবং ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তারা পুরুষ গলদা চাষের প্রতি বিশেষ উৎসাহ দেখান এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের আরও জ্ঞানমূলক সফরের আয়োজন করার জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি

আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে এবং চাষ পদ্ধতি বিনিময়ের লক্ষ্যে এই সফরের আয়োজন করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম চাষিদের স্বাগত জানান। দাকোপ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক দলটির নেতৃত্ব দেন।

চাষিরা সাতক্ষীরার ধূলিহরে 'বটম ক্লিন' এবং 'বায়োফ্লক' পদ্ধতিতে উচ্চ ঘনত্বে নিবিড় বাগদা চাষের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
ঘের মালিক লিটু জাল টেনে চাষিদের মাছ দেখান এবং আধুনিক ঘের ব্যবস্থাপনার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।
পরিদর্শনকালে জানানো হয়, এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে হেক্টর প্রতি ১৫ টন চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব, যা সনাতন পদ্ধতির চেয়ে প্রায় ৪৫ গুণ বেশি।
খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, "চাষিরা যদি এই আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করেন, তবে উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। এটি বাংলাদেশের মৎস্য খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।"
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা চাষিদের আয়-ব্যয় এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।

সফর শেষে চাষিরা চিংড়ি নার্সারি ব্যবস্থাপনা, বায়োসিকিউরিটি এবং ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তারা পুরুষ গলদা চাষের প্রতি বিশেষ উৎসাহ দেখান এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের আরও জ্ঞানমূলক সফরের আয়োজন করার জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন