নজর বিডি
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

সাতক্ষীরায় আধুনিক চিংড়ি চাষের অভিজ্ঞতা নিলেন দাকোপের ৫০ চাষি

সাতক্ষীরায় আধুনিক চিংড়ি চাষের অভিজ্ঞতা নিলেন দাকোপের ৫০ চাষি

২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি

মৎস্য অধিদপ্তরের ‘কমিউনিটি বেইজড ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট ফিশারিজ এন্ড একুয়াকালচার ডেভলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার ৫০ জন সিবিও (CBO) চিংড়ি চাষি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সফর করেছেন।

আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে এবং চাষ পদ্ধতি বিনিময়ের লক্ষ্যে এই সফরের আয়োজন করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম চাষিদের স্বাগত জানান। দাকোপ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক দলটির নেতৃত্ব দেন।

  • চাষিরা সাতক্ষীরার ধূলিহরে 'বটম ক্লিন' এবং 'বায়োফ্লক' পদ্ধতিতে উচ্চ ঘনত্বে নিবিড় বাগদা চাষের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

  •  ঘের মালিক লিটু জাল টেনে চাষিদের মাছ দেখান এবং আধুনিক ঘের ব্যবস্থাপনার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।

  •  পরিদর্শনকালে জানানো হয়, এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে হেক্টর প্রতি ১৫ টন চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব, যা সনাতন পদ্ধতির চেয়ে প্রায় ৪৫ গুণ বেশি।

খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, "চাষিরা যদি এই আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করেন, তবে উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। এটি বাংলাদেশের মৎস্য খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।"

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা চাষিদের আয়-ব্যয় এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।

সফর শেষে চাষিরা চিংড়ি নার্সারি ব্যবস্থাপনা, বায়োসিকিউরিটি এবং ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তারা পুরুষ গলদা চাষের প্রতি বিশেষ উৎসাহ দেখান এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের আরও জ্ঞানমূলক সফরের আয়োজন করার জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


সাতক্ষীরায় আধুনিক চিংড়ি চাষের অভিজ্ঞতা নিলেন দাকোপের ৫০ চাষি

প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি

মৎস্য অধিদপ্তরের ‘কমিউনিটি বেইজড ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট ফিশারিজ এন্ড একুয়াকালচার ডেভলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার ৫০ জন সিবিও (CBO) চিংড়ি চাষি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সফর করেছেন।

আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে এবং চাষ পদ্ধতি বিনিময়ের লক্ষ্যে এই সফরের আয়োজন করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম চাষিদের স্বাগত জানান। দাকোপ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক দলটির নেতৃত্ব দেন।

  • চাষিরা সাতক্ষীরার ধূলিহরে 'বটম ক্লিন' এবং 'বায়োফ্লক' পদ্ধতিতে উচ্চ ঘনত্বে নিবিড় বাগদা চাষের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

  •  ঘের মালিক লিটু জাল টেনে চাষিদের মাছ দেখান এবং আধুনিক ঘের ব্যবস্থাপনার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।

  •  পরিদর্শনকালে জানানো হয়, এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে হেক্টর প্রতি ১৫ টন চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব, যা সনাতন পদ্ধতির চেয়ে প্রায় ৪৫ গুণ বেশি।

খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, "চাষিরা যদি এই আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করেন, তবে উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। এটি বাংলাদেশের মৎস্য খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।"

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা চাষিদের আয়-ব্যয় এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।

সফর শেষে চাষিরা চিংড়ি নার্সারি ব্যবস্থাপনা, বায়োসিকিউরিটি এবং ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তারা পুরুষ গলদা চাষের প্রতি বিশেষ উৎসাহ দেখান এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের আরও জ্ঞানমূলক সফরের আয়োজন করার জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত