২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে সরকারি জায়গায় পলিথিনে ঘেরা একটি ভাঙা টিনের ঘরে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে কোনোমতে রাত কাটছে তাঁর।
সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র কুয়াশা আর হিমেল বাতাস ঠেকাতে জরাজীর্ণ টিনের ঘরের চারপাশ পলিথিন দিয়ে ঘিরে রেখেছেন তিনি। ১৫ বছর আগে স্বামী নরেশ চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পর অভাবের সংসারে তিন মেয়েকে বিয়ে দিলেও এখন ছোট ছেলে রিপনকে নিয়ে নিয়তি রাণীর বেঁচে থাকার লড়াই চলছে। মা-ছেলে দুজনই বিড়ি কারখানায় কাজ করে দিনে মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আয় করেন, যা দিয়ে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। ফলে শীতের কাপড় কেনা বা ঘর মেরামত করা তাঁদের কাছে বিলাসিতা।

আক্ষেপ করে নিয়তি রাণী বলেন, “শীত আর ঠান্ডায় ঘরে থাকা যায় না। চেয়ারম্যান-মেম্বারের কাছে একটা বিধবা ভাতার জন্য গেছিলাম, কিন্তু লাভ হয়নি। এখন পর্যন্ত কোনো কম্বলও কপালে জোটেনি।”
স্থানীয় প্রতিবেশী রাসেল মিয়া জানান, সহায়-সম্বলহীন এই পরিবারটি দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলায় দিন কাটাচ্ছে। সরকারি সহায়তা পেলে হয়তো এই বৃদ্ধ বয়সে নিয়তি রাণী একটু ভালোভাবে থাকতে পারতেন।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন, “বিষয়টি এইমাত্র জানতে পারলাম। দ্রুত ওই পরিবারের খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে সরকারি জায়গায় পলিথিনে ঘেরা একটি ভাঙা টিনের ঘরে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে কোনোমতে রাত কাটছে তাঁর।
সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র কুয়াশা আর হিমেল বাতাস ঠেকাতে জরাজীর্ণ টিনের ঘরের চারপাশ পলিথিন দিয়ে ঘিরে রেখেছেন তিনি। ১৫ বছর আগে স্বামী নরেশ চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পর অভাবের সংসারে তিন মেয়েকে বিয়ে দিলেও এখন ছোট ছেলে রিপনকে নিয়ে নিয়তি রাণীর বেঁচে থাকার লড়াই চলছে। মা-ছেলে দুজনই বিড়ি কারখানায় কাজ করে দিনে মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আয় করেন, যা দিয়ে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। ফলে শীতের কাপড় কেনা বা ঘর মেরামত করা তাঁদের কাছে বিলাসিতা।

আক্ষেপ করে নিয়তি রাণী বলেন, “শীত আর ঠান্ডায় ঘরে থাকা যায় না। চেয়ারম্যান-মেম্বারের কাছে একটা বিধবা ভাতার জন্য গেছিলাম, কিন্তু লাভ হয়নি। এখন পর্যন্ত কোনো কম্বলও কপালে জোটেনি।”
স্থানীয় প্রতিবেশী রাসেল মিয়া জানান, সহায়-সম্বলহীন এই পরিবারটি দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলায় দিন কাটাচ্ছে। সরকারি সহায়তা পেলে হয়তো এই বৃদ্ধ বয়সে নিয়তি রাণী একটু ভালোভাবে থাকতে পারতেন।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন, “বিষয়টি এইমাত্র জানতে পারলাম। দ্রুত ওই পরিবারের খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন