২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
জয়পুরহাটে জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে এবং খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সর্বদলীয় ছাত্র-জনতার ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাঁচুর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলার বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ-পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, “শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন একটি আদর্শিক আন্দোলনের সাহসী কণ্ঠস্বর। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে এই আন্দোলনকে দমন করা যাবে না।” তারা আরো বলেন ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলন ও ও ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখায় হাদিকে জীবন দিতে হয়েছে । হামলার ১৬ দিন ও মৃত্যুর ৯ দিন পার হলেও খুনিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে আমরা এই সরকারের কোন তৎপরতা লক্ষ্য করছি না। বক্তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সমালোচনা করে বলেন, একটা মানুষকে খুন করে ১৬ দিনে বর্ডার পেড়িয়ে ভারতে আশ্রয় নিলেও বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার সর্বনিম্ন কোন আন্তরিকতা লক্ষ্য করা যায়নি. তারা হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, আমরা হাজারো জুলাই শহীদদের রক্তের উপর দিয়ে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছি ভারতীয় দাসত্বের কাছে মাথা নত করার জন্য নয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবির জয়পুরহাট শহর শাখার সভাপতি ইমরান হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক হাছিবুল হক সাঞ্জিদ, এনসিপির জেলা মুক্তিযুদ্ধ ও ছাত্র আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক বোরহানউদ্দিনসহ আরও অনেকে। বক্তারা অনতিবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, “এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে যে ষড়যন্ত্র রয়েছে, তা সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে। নইলে ছাত্রজনতা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।” বিক্ষোভে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা অংশগ্রহণ করে। তারা ওসমান হাদীর আত্মত্যাগকে স্মরণ করে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে তোলে পুরো শহর।
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
জয়পুরহাটে জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে এবং খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সর্বদলীয় ছাত্র-জনতার ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাঁচুর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলার বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ-পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, “শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন একটি আদর্শিক আন্দোলনের সাহসী কণ্ঠস্বর। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে এই আন্দোলনকে দমন করা যাবে না।” তারা আরো বলেন ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলন ও ও ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখায় হাদিকে জীবন দিতে হয়েছে । হামলার ১৬ দিন ও মৃত্যুর ৯ দিন পার হলেও খুনিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে আমরা এই সরকারের কোন তৎপরতা লক্ষ্য করছি না। বক্তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সমালোচনা করে বলেন, একটা মানুষকে খুন করে ১৬ দিনে বর্ডার পেড়িয়ে ভারতে আশ্রয় নিলেও বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার সর্বনিম্ন কোন আন্তরিকতা লক্ষ্য করা যায়নি. তারা হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, আমরা হাজারো জুলাই শহীদদের রক্তের উপর দিয়ে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছি ভারতীয় দাসত্বের কাছে মাথা নত করার জন্য নয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবির জয়পুরহাট শহর শাখার সভাপতি ইমরান হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক হাছিবুল হক সাঞ্জিদ, এনসিপির জেলা মুক্তিযুদ্ধ ও ছাত্র আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক বোরহানউদ্দিনসহ আরও অনেকে। বক্তারা অনতিবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, “এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে যে ষড়যন্ত্র রয়েছে, তা সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে। নইলে ছাত্রজনতা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।” বিক্ষোভে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা অংশগ্রহণ করে। তারা ওসমান হাদীর আত্মত্যাগকে স্মরণ করে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে তোলে পুরো শহর।
আপনার মতামত লিখুন