উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম কষ্ট। তীব্র শীত থেকে বাঁচতে সকাল-সন্ধ্যা আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে দিনমজুর, রিকশাচালক, কৃষক ও বয়স্কদের।
শীতের তীব্রতায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা। পাশাপাশি ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
আগুন পোহাতে থাকা নৃত্য পাল বলেন, “কয়েক দিন ধরে দিনে-রাতে প্রচণ্ড শীত পড়ছে। শরীর গরম রাখতে আমরা কয়েকজন মিলে আগুন পোহাচ্ছি।”
আটলিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা প্রকাশ জানান, “ঠান্ডায় শরীর বরফের মতো হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে হাত-পা জমে গেছে। তাই নিরাপদ দূরত্বে বসে আগুন পোহাচ্ছি।”
সিএনজি চালক আল আমিন বলেন, “ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তাঘাট স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। গত দুই দিন গাড়ি নিয়ে বের হইনি। তবে পেটের দায়ে আজ বের হয়েছি। চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে আছে।”
কৃষক ইকবাল হোসেন, মজনু ও আশরাফুল কবির জানান, অতিরিক্ত শীতের কারণে কৃষিকাজে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধানের বীজ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাছাড়া বেশি মজুরি দিয়েও কৃষিশ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, “এটি শৈত্যপ্রবাহ নয়। ঘন কুয়াশা ও বাতাসের কারণে শীত কিছুটা বেশি অনুভূত হচ্ছে। দুই-এক দিনের মধ্যে কুয়াশা কেটে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম কষ্ট। তীব্র শীত থেকে বাঁচতে সকাল-সন্ধ্যা আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে দিনমজুর, রিকশাচালক, কৃষক ও বয়স্কদের।
শীতের তীব্রতায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা। পাশাপাশি ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
আগুন পোহাতে থাকা নৃত্য পাল বলেন, “কয়েক দিন ধরে দিনে-রাতে প্রচণ্ড শীত পড়ছে। শরীর গরম রাখতে আমরা কয়েকজন মিলে আগুন পোহাচ্ছি।”
আটলিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা প্রকাশ জানান, “ঠান্ডায় শরীর বরফের মতো হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে হাত-পা জমে গেছে। তাই নিরাপদ দূরত্বে বসে আগুন পোহাচ্ছি।”
সিএনজি চালক আল আমিন বলেন, “ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তাঘাট স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। গত দুই দিন গাড়ি নিয়ে বের হইনি। তবে পেটের দায়ে আজ বের হয়েছি। চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে আছে।”
কৃষক ইকবাল হোসেন, মজনু ও আশরাফুল কবির জানান, অতিরিক্ত শীতের কারণে কৃষিকাজে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধানের বীজ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাছাড়া বেশি মজুরি দিয়েও কৃষিশ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, “এটি শৈত্যপ্রবাহ নয়। ঘন কুয়াশা ও বাতাসের কারণে শীত কিছুটা বেশি অনুভূত হচ্ছে। দুই-এক দিনের মধ্যে কুয়াশা কেটে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

আপনার মতামত লিখুন