নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারলেও দ্বিতীয় সুযোগটি দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে তারা।
সাকিবের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটের বড় জয় পায় এমিরেটস।
শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে এমিরেটসের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে আবুধাবি নাইট রাইডার্স। দলীয় ২ রানেই ওপেনার মাইকেল পেপারকে হারায় তারা। লিয়াম লিভিংস্টোন (৪) ও ব্রেন্ডন ম্যাকমুলেনও (১৩) দ্রুত বিদায় নেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আলিশান শরাফু এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪০ বলে ৫০ রান করলেও অন্য ব্যাটাররা ছিলেন ব্যর্থ। অ্যালেক্স হেলস ২৯ রান করতে খরচ করেন ৩৬ বল। এমিরেটসের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন আল্লাহ মোহাম্মদ গাজানফার। সাকিব উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে রানের গতি টেনে ধরেন।
১২১ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই আন্দ্রে ফ্লেচার ও মোহাম্মদ ওয়াসিমকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে এমিরেটস। ৩৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও টম ব্যান্টন।
এই জুটি থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৮২ রান। সাকিব ২৪ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৮ রান করে আউট হন। অন্যদিকে টম ব্যান্টন ৫৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। ব্যাট ও বলে কার্যকর ভূমিকার জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সাকিব।
এই জয়ে আইএল টি-টোয়েন্টির চতুর্থ আসরে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নিল এমআই এমিরেটস। এর আগে ২০২৪ সালের আসরে শিরোপা জিতেছিল দলটি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারলেও দ্বিতীয় সুযোগটি দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে তারা।
সাকিবের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটের বড় জয় পায় এমিরেটস।
শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে এমিরেটসের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে আবুধাবি নাইট রাইডার্স। দলীয় ২ রানেই ওপেনার মাইকেল পেপারকে হারায় তারা। লিয়াম লিভিংস্টোন (৪) ও ব্রেন্ডন ম্যাকমুলেনও (১৩) দ্রুত বিদায় নেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আলিশান শরাফু এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪০ বলে ৫০ রান করলেও অন্য ব্যাটাররা ছিলেন ব্যর্থ। অ্যালেক্স হেলস ২৯ রান করতে খরচ করেন ৩৬ বল। এমিরেটসের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন আল্লাহ মোহাম্মদ গাজানফার। সাকিব উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে রানের গতি টেনে ধরেন।
১২১ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই আন্দ্রে ফ্লেচার ও মোহাম্মদ ওয়াসিমকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে এমিরেটস। ৩৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও টম ব্যান্টন।
এই জুটি থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৮২ রান। সাকিব ২৪ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৮ রান করে আউট হন। অন্যদিকে টম ব্যান্টন ৫৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। ব্যাট ও বলে কার্যকর ভূমিকার জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সাকিব।
এই জয়ে আইএল টি-টোয়েন্টির চতুর্থ আসরে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নিল এমআই এমিরেটস। এর আগে ২০২৪ সালের আসরে শিরোপা জিতেছিল দলটি।

আপনার মতামত লিখুন