অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শেখ আজমত আলীর ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদল নেতা আব্দুর রহমান গত ২৫ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মেলা প্রাঙ্গনে ঘুরতে গেলে পূর্বশত্রুতার জেরে কয়েকজন বিবাদী তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীদের মধ্যে ১ নম্বর বিবাদী হাতে থাকা দেশীয় ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আব্দুর রহমানের মাথার মাঝখানে কোপ মারলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। এ সময় ২ নম্বর বিবাদী দেশীয় রাম দার উল্টোপিঠ দিয়ে আঘাত করলে তার শরীরে নীলাফুলা ও ছিলা জখম হয়। ৩ নম্বর বিবাদী লোহার রড দিয়ে বাম পায়ের গিরার নিচে ও পিঠে আঘাত করে। এছাড়া ৪ ও ৫ নম্বর বিবাদী তাকে ধরে রেখে মারধরে সহায়তা করে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় ৪ নম্বর বিবাদী তার গলায় থাকা আনুমানিক ৭ আনা ৬ রতি ওজনের স্বর্ণের চেইন (মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা) ছিনিয়ে নেয় এবং ৫ নম্বর বিবাদী তার প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ২৬ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
আব্দুর রহমানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পুনরায় হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ঝিন্টু চক্রবর্তী জানান, ঘটনার বিষয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শেখ আজমত আলীর ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদল নেতা আব্দুর রহমান গত ২৫ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মেলা প্রাঙ্গনে ঘুরতে গেলে পূর্বশত্রুতার জেরে কয়েকজন বিবাদী তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীদের মধ্যে ১ নম্বর বিবাদী হাতে থাকা দেশীয় ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আব্দুর রহমানের মাথার মাঝখানে কোপ মারলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। এ সময় ২ নম্বর বিবাদী দেশীয় রাম দার উল্টোপিঠ দিয়ে আঘাত করলে তার শরীরে নীলাফুলা ও ছিলা জখম হয়। ৩ নম্বর বিবাদী লোহার রড দিয়ে বাম পায়ের গিরার নিচে ও পিঠে আঘাত করে। এছাড়া ৪ ও ৫ নম্বর বিবাদী তাকে ধরে রেখে মারধরে সহায়তা করে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় ৪ নম্বর বিবাদী তার গলায় থাকা আনুমানিক ৭ আনা ৬ রতি ওজনের স্বর্ণের চেইন (মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা) ছিনিয়ে নেয় এবং ৫ নম্বর বিবাদী তার প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ২৬ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
আব্দুর রহমানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পুনরায় হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ঝিন্টু চক্রবর্তী জানান, ঘটনার বিষয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন