নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের পোস্ট অফিস পাড়ায় অবস্থিত এই পুরোনো ভবনটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। বিদ্যুৎবিহীন ও তালাবদ্ধ ঘরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত’ ও ‘রহস্যজনক’ বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রেকর্ড রুমের এই ভবনটিতে যশোর ও আশপাশ এলাকার ১৭৪১ সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত সময়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দলিলপত্র সংরক্ষিত ছিল। শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার শামসুজ্জামান মিলন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০০ বছরের পুরনো সূচিপত্র ও টিপবইসহ মূল্যবান কাগজপত্র পুড়ে গেছে।
যেসব কাগজ পোড়েনি, সেগুলো ফায়ার সার্ভিসের ব্যবহৃত পানিতে ভিজে অকেজো হয়ে পড়েছে। ইতিহাসবিদ ও দলিল লেখকদের মতে, এই ক্ষতি অপূরণীয়।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যে এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ে গভীর রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে:
ভবনটি দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন এবং রাতে তালাবদ্ধ থাকে। ফলে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার সুযোগ নেই।
যশোর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সোহরাব হোসেন জানান, ঘটনার সময় হিরা নামের কর্তব্যরত নৈশপ্রহরীকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
অফিসের একাধিক সূত্রের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ দলিল নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে এই আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে।
যশোর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ফিরোজ আহমেদ জানান, "খবর পেয়ে আমাদের দুটি ইউনিট তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দুটি কক্ষের পুরোনো নথিপত্র পুড়ে গেছে।" তবে বিদ্যুৎবিহীন তালাবদ্ধ ঘরে আগুনের উৎস সম্পর্কে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ঘটনাটি তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি অবশিষ্ট নথিপত্র সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের পোস্ট অফিস পাড়ায় অবস্থিত এই পুরোনো ভবনটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। বিদ্যুৎবিহীন ও তালাবদ্ধ ঘরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত’ ও ‘রহস্যজনক’ বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রেকর্ড রুমের এই ভবনটিতে যশোর ও আশপাশ এলাকার ১৭৪১ সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত সময়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দলিলপত্র সংরক্ষিত ছিল। শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার শামসুজ্জামান মিলন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০০ বছরের পুরনো সূচিপত্র ও টিপবইসহ মূল্যবান কাগজপত্র পুড়ে গেছে।
যেসব কাগজ পোড়েনি, সেগুলো ফায়ার সার্ভিসের ব্যবহৃত পানিতে ভিজে অকেজো হয়ে পড়েছে। ইতিহাসবিদ ও দলিল লেখকদের মতে, এই ক্ষতি অপূরণীয়।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যে এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ে গভীর রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে:
ভবনটি দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন এবং রাতে তালাবদ্ধ থাকে। ফলে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার সুযোগ নেই।
যশোর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সোহরাব হোসেন জানান, ঘটনার সময় হিরা নামের কর্তব্যরত নৈশপ্রহরীকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
অফিসের একাধিক সূত্রের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ দলিল নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে এই আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে।
যশোর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ফিরোজ আহমেদ জানান, "খবর পেয়ে আমাদের দুটি ইউনিট তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দুটি কক্ষের পুরোনো নথিপত্র পুড়ে গেছে।" তবে বিদ্যুৎবিহীন তালাবদ্ধ ঘরে আগুনের উৎস সম্পর্কে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ঘটনাটি তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি অবশিষ্ট নথিপত্র সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন