নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার (বা সংশ্লিষ্ট তারিখ) ডুমুরিয়া উপজেলার ৫০ জন চাষি শার্শা উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নের বারোপোতা এলাকায় অবস্থিত ৪৫০ বিঘার একটি বিশাল ও সফল পাবদা মাছ চাষ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে পাবদা চাষ করা যায়, তা হাতেকলমে শেখাই ছিল এই সফরের মূল লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে সফল মৎস্য চাষি ও 'মেসার্স জনতা ফিশ'-এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস চাষিদের সামনে জাল টেনে পাবদা ও সাদা মাছ প্রদর্শন করেন। তিনি জানান, বর্তমানে ৩০টি পুকুরে তিনি বাণিজ্যিকভাবে পাবদা চাষ করছেন। তিনি পলিকালচার পদ্ধতিতে শতক প্রতি ৭৫০টি পাবদা এবং ৮টি সাদা মাছ চাষ করেন। ৭ থেকে ৯ মাস চাষ শেষে এই মাছগুলো তিনি দেশের বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি চাষিদের চিংড়ির পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে উচ্চমূল্যের পাবদা মাছ চাষে উৎসাহিত করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান এবং যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন উপস্থিত থেকে কারিগরি বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
ডুমুরিয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগানের তত্ত্বাবধানে এই সফরে চাষিরা পোনা ব্যবস্থাপনা, সঠিক খাদ্য প্রয়োগ এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করেন। অংশগ্রহণকারী চাষি শেখ মাহতাব হোসেন, কনিকা মন্ডল ও মারুফ সরদাররা জানান, এই সফর তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং তারা এখন নিজস্ব পুকুরে আধুনিক পদ্ধতিতে পাবদা চাষ শুরু করতে আগ্রহী।
মৎস্য কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের বাস্তব জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার চাষিরা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার (বা সংশ্লিষ্ট তারিখ) ডুমুরিয়া উপজেলার ৫০ জন চাষি শার্শা উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নের বারোপোতা এলাকায় অবস্থিত ৪৫০ বিঘার একটি বিশাল ও সফল পাবদা মাছ চাষ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে পাবদা চাষ করা যায়, তা হাতেকলমে শেখাই ছিল এই সফরের মূল লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে সফল মৎস্য চাষি ও 'মেসার্স জনতা ফিশ'-এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস চাষিদের সামনে জাল টেনে পাবদা ও সাদা মাছ প্রদর্শন করেন। তিনি জানান, বর্তমানে ৩০টি পুকুরে তিনি বাণিজ্যিকভাবে পাবদা চাষ করছেন। তিনি পলিকালচার পদ্ধতিতে শতক প্রতি ৭৫০টি পাবদা এবং ৮টি সাদা মাছ চাষ করেন। ৭ থেকে ৯ মাস চাষ শেষে এই মাছগুলো তিনি দেশের বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি চাষিদের চিংড়ির পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে উচ্চমূল্যের পাবদা মাছ চাষে উৎসাহিত করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান এবং যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন উপস্থিত থেকে কারিগরি বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
ডুমুরিয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগানের তত্ত্বাবধানে এই সফরে চাষিরা পোনা ব্যবস্থাপনা, সঠিক খাদ্য প্রয়োগ এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করেন। অংশগ্রহণকারী চাষি শেখ মাহতাব হোসেন, কনিকা মন্ডল ও মারুফ সরদাররা জানান, এই সফর তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং তারা এখন নিজস্ব পুকুরে আধুনিক পদ্ধতিতে পাবদা চাষ শুরু করতে আগ্রহী।
মৎস্য কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের বাস্তব জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার চাষিরা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন