নজরবিডি, বাংলাদেশ
এই সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪ হাজার ৯২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৩ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসেবে হেক্টর প্রতি উৎপাদন খরচ প্রায় দেড় লাখ টাকা ধরা হলেও মাঠ পর্যায়ের কৃষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। সার ও শ্রমিকের বাড়তি দামের কারণে এই খরচ অনেক ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে খোলাবাজারে সারের দামের ব্যবধান আকাশচুম্বী—
| সারের নাম | সরকারি দাম (বস্তা) | খোলাবাজারের দাম (বস্তা) |
| টিএসপি (TSP) | ১,৩৫০ টাকা | ১,৮৫০ - ২,০০০ টাকা |
| ডিএপি (DAP) | ১,০৫০ টাকা | ১,৪৫০ - ১,৬০০ টাকা |
| এমওপি (MOP) | ১,০০০ টাকা | ১,১৫০ - ১,২০০ টাকা |
চাষিরা জানান, ডিলাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড় করিয়ে জনপ্রতি মাত্র ১০-২০ কেজির বেশি সার দিচ্ছেন না। অথচ সাব-ডিলারদের কাছে বস্তাপ্রতি বাড়তি টাকা দিলেই পর্যাপ্ত সার মিলছে। পাতি ইউনিয়নের চাষি তৌহিদুল ইসলাম জানান, ভবিষ্যতে সার না পাওয়ার ভয়ে কৃষকরা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এদিকে শ্রমিক সংকটের কারণে সাধারণ শ্রমিকের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও ৫০০ টাকা মজুরিতে মাঠে চারা রোপণের কাজ করছে।
কুষ্টিয়া বিসিআইসি সার ডিলার সমিতির সভাপতি খন্দকার আব্দুল গাফফার সারের সংকটের কথা স্বীকার করলেও সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, সরকার থেকে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম সারের সংকটের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, "অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হচ্ছে।" উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার আশ্বাস দিয়েছেন যে, ডিলাররা কোনো সিন্ডিকেট করলে তা খতিয়ে দেখে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, বাংলাদেশ
এই সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪ হাজার ৯২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৩ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসেবে হেক্টর প্রতি উৎপাদন খরচ প্রায় দেড় লাখ টাকা ধরা হলেও মাঠ পর্যায়ের কৃষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। সার ও শ্রমিকের বাড়তি দামের কারণে এই খরচ অনেক ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে খোলাবাজারে সারের দামের ব্যবধান আকাশচুম্বী—
| সারের নাম | সরকারি দাম (বস্তা) | খোলাবাজারের দাম (বস্তা) |
| টিএসপি (TSP) | ১,৩৫০ টাকা | ১,৮৫০ - ২,০০০ টাকা |
| ডিএপি (DAP) | ১,০৫০ টাকা | ১,৪৫০ - ১,৬০০ টাকা |
| এমওপি (MOP) | ১,০০০ টাকা | ১,১৫০ - ১,২০০ টাকা |
চাষিরা জানান, ডিলাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড় করিয়ে জনপ্রতি মাত্র ১০-২০ কেজির বেশি সার দিচ্ছেন না। অথচ সাব-ডিলারদের কাছে বস্তাপ্রতি বাড়তি টাকা দিলেই পর্যাপ্ত সার মিলছে। পাতি ইউনিয়নের চাষি তৌহিদুল ইসলাম জানান, ভবিষ্যতে সার না পাওয়ার ভয়ে কৃষকরা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এদিকে শ্রমিক সংকটের কারণে সাধারণ শ্রমিকের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও ৫০০ টাকা মজুরিতে মাঠে চারা রোপণের কাজ করছে।
কুষ্টিয়া বিসিআইসি সার ডিলার সমিতির সভাপতি খন্দকার আব্দুল গাফফার সারের সংকটের কথা স্বীকার করলেও সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, সরকার থেকে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম সারের সংকটের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, "অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হচ্ছে।" উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার আশ্বাস দিয়েছেন যে, ডিলাররা কোনো সিন্ডিকেট করলে তা খতিয়ে দেখে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন