নজরবিডি, বাংলাদেশ
বুধবার (৭ জানুয়ারি, ২০২৬) দিনাজপুরের পর্যটন মোটেলে এই সভার আয়োজন করা হয়। গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে এবং ওয়ার্ল্ড রেনিউ বাংলাদেশ-এর কারিগরি সহায়তায় পাঁচ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পটি জেলার বিরামপুর, ফুলবাড়ী, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর এবং ঘোড়াঘাট উপজেলায় বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ল্যাম্ব’ (LAMB)।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. লুৎফুল বিন ফারুক জানান, প্রকল্পটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ছয়টি স্তম্ভের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হবে। প্রকল্পের মাধ্যমে ২,১০৪ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ মোট ১,৯২,৪৭৮ জন প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগীকে সেবা প্রদান করা হবে। ইউনিয়ন ও কমিউনিটি পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে জেন্ডার-সংবেদনশীল ও কিশোর-বান্ধব করে আধুনিকায়ন করা এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
ল্যাম্বের পরিচালক (সিএইচডিপি) উৎপল মিন্ জ প্রকল্পের ‘জেন্ডার ট্রান্সফরমেটিভ’ পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রজনন স্বাস্থ্যের অবনতির মূলে থাকা লিঙ্গ-বৈষম্য দূর করতে এই প্রকল্প কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আসিফ ফেরদৌস সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে বলেন, "বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।" পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক প্রকল্পের সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, সরকারের স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাতের লক্ষ্য অর্জনে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও পৌর প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে ল্যাম্বের নির্বাহী পরিচালক, প্রকল্পের প্রধান ফ্রান্সিস মন্ডলসহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূল পর্যায়ে সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রকল্পটি দিনাজপুরের কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি উজ্জ্বল ও সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, বাংলাদেশ
বুধবার (৭ জানুয়ারি, ২০২৬) দিনাজপুরের পর্যটন মোটেলে এই সভার আয়োজন করা হয়। গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে এবং ওয়ার্ল্ড রেনিউ বাংলাদেশ-এর কারিগরি সহায়তায় পাঁচ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পটি জেলার বিরামপুর, ফুলবাড়ী, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর এবং ঘোড়াঘাট উপজেলায় বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ল্যাম্ব’ (LAMB)।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. লুৎফুল বিন ফারুক জানান, প্রকল্পটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ছয়টি স্তম্ভের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হবে। প্রকল্পের মাধ্যমে ২,১০৪ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ মোট ১,৯২,৪৭৮ জন প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগীকে সেবা প্রদান করা হবে। ইউনিয়ন ও কমিউনিটি পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে জেন্ডার-সংবেদনশীল ও কিশোর-বান্ধব করে আধুনিকায়ন করা এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
ল্যাম্বের পরিচালক (সিএইচডিপি) উৎপল মিন্ জ প্রকল্পের ‘জেন্ডার ট্রান্সফরমেটিভ’ পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রজনন স্বাস্থ্যের অবনতির মূলে থাকা লিঙ্গ-বৈষম্য দূর করতে এই প্রকল্প কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আসিফ ফেরদৌস সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে বলেন, "বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।" পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক প্রকল্পের সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, সরকারের স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাতের লক্ষ্য অর্জনে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও পৌর প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে ল্যাম্বের নির্বাহী পরিচালক, প্রকল্পের প্রধান ফ্রান্সিস মন্ডলসহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূল পর্যায়ে সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রকল্পটি দিনাজপুরের কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি উজ্জ্বল ও সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন