নজরবিডি, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়ায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল ও অলংকার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দাবি করেছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার আংগারদহা গ্রামের বাসিন্দা গোপিনাথ কুণ্ডুর বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাতে গোপিনাথ কুণ্ডুর দুই ছেলে কৃষ্ণ কুণ্ডু ও রাজু কুণ্ডুর বসতঘরে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে আকস্মিকভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে কৃষ্ণ কুণ্ডুর টিনের ছাউনি দেওয়া পাকা ঘর এবং রাজু কুণ্ডুর টিনের বেড়া ও ছাউনি দেওয়া ঘরে। স্থানীয়রা ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দিলেও তারা পৌঁছানোর আগেই ঘর দুটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও মূল্যবান মালামালসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পরিদর্শন ও সহায়তা: অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মোশাররফ হোসেন মফিজ, খর্নিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরদার আবুল হোসেন, বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য মোল্লা আবুল কাশেম, শেখ শাহিনুর রহমান শাহিন, ইউপি সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম ও রায়হান খান।
এছাড়াও জামায়াত নেতা মোল্লা ইনামুল হোসেন ও ওয়াহিদুল খানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দুটিকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন এবং আগামীতে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। নেতৃবৃন্দ এই ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে সকলকে বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সাবধান ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়ায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল ও অলংকার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দাবি করেছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার আংগারদহা গ্রামের বাসিন্দা গোপিনাথ কুণ্ডুর বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাতে গোপিনাথ কুণ্ডুর দুই ছেলে কৃষ্ণ কুণ্ডু ও রাজু কুণ্ডুর বসতঘরে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে আকস্মিকভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে কৃষ্ণ কুণ্ডুর টিনের ছাউনি দেওয়া পাকা ঘর এবং রাজু কুণ্ডুর টিনের বেড়া ও ছাউনি দেওয়া ঘরে। স্থানীয়রা ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দিলেও তারা পৌঁছানোর আগেই ঘর দুটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও মূল্যবান মালামালসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পরিদর্শন ও সহায়তা: অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মোশাররফ হোসেন মফিজ, খর্নিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরদার আবুল হোসেন, বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য মোল্লা আবুল কাশেম, শেখ শাহিনুর রহমান শাহিন, ইউপি সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম ও রায়হান খান।
এছাড়াও জামায়াত নেতা মোল্লা ইনামুল হোসেন ও ওয়াহিদুল খানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দুটিকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন এবং আগামীতে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। নেতৃবৃন্দ এই ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে সকলকে বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সাবধান ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন