নজরবিডি, খুলনা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি, গণভোটের প্রচার এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে খুলনায় এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহা: আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, “গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল কাঠামো সংস্কারের আওতায় আসবে। জুলাই জাতীয় সনদে যে ৩০টি বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, তা বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে জয়ী রাজনৈতিক দল বাধ্য থাকবে।”
তিনি আরও জানান, মূলত চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে:
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।
নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন।
দুই কক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ এবং সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি।
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন।
মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা পুনর্নির্ধারণ।
যুগ্মসচিব সরকারি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং সেবাগ্রহীতাদের মাঝে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরার আহ্বান জানান।
খুলনা জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: লিয়াকত আলী শেখ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন:
মোঃ আরিফুল ইসলাম (উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার দপ্তর)।
বিতান কুমার মন্ডল (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সার্বিক)।
নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ (অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট)।
মো: সোহেল সামাদ (জেলা নির্বাচন অফিসার) সহ জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এছাড়াও খুলনার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) অনলাইনে এই সভায় যুক্ত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, খুলনা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি, গণভোটের প্রচার এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে খুলনায় এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহা: আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, “গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল কাঠামো সংস্কারের আওতায় আসবে। জুলাই জাতীয় সনদে যে ৩০টি বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, তা বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে জয়ী রাজনৈতিক দল বাধ্য থাকবে।”
তিনি আরও জানান, মূলত চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে:
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।
নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন।
দুই কক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ এবং সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি।
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন।
মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা পুনর্নির্ধারণ।
যুগ্মসচিব সরকারি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং সেবাগ্রহীতাদের মাঝে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরার আহ্বান জানান।
খুলনা জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: লিয়াকত আলী শেখ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন:
মোঃ আরিফুল ইসলাম (উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার দপ্তর)।
বিতান কুমার মন্ডল (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সার্বিক)।
নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ (অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট)।
মো: সোহেল সামাদ (জেলা নির্বাচন অফিসার) সহ জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এছাড়াও খুলনার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) অনলাইনে এই সভায় যুক্ত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন