নজরবিডি, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
সাভারের প্রকৃতির কোলজুড়ে অবস্থিত দেশের একমাত্র আবাসিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) আজ গৌরবময় ৫৬ বছরে পদার্পণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে দিনভর নানা বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’।
সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলাভবনের প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও অগ্রযাত্রার কথা স্মরণ করেন। এরপর উপাচার্য শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা ও রঙিন বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেন।

উদ্বোধন শেষে একটি বিশালাকার বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ঢাক-ঢোলের শব্দ আর লাল-নীল রঙের প্ল্যাকার্ড হাতে উৎসবমুখর এই র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দু সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ। ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আহসান আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন করেছিলেন। এর আগে ১৯৭০-৭১ শিক্ষাবর্ষে মাত্র ৪টি বিভাগ (অর্থনীতি, ভূগোল, গণিত ও পরিসংখ্যান) এবং ১৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এর পথচলা শুরু হয়। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়মিতভাবে ১২ জানুয়ারি তারিখটিকে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
সাভারের প্রকৃতির কোলজুড়ে অবস্থিত দেশের একমাত্র আবাসিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) আজ গৌরবময় ৫৬ বছরে পদার্পণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে দিনভর নানা বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’।
সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলাভবনের প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও অগ্রযাত্রার কথা স্মরণ করেন। এরপর উপাচার্য শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা ও রঙিন বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেন।

উদ্বোধন শেষে একটি বিশালাকার বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ঢাক-ঢোলের শব্দ আর লাল-নীল রঙের প্ল্যাকার্ড হাতে উৎসবমুখর এই র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দু সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ। ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আহসান আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন করেছিলেন। এর আগে ১৯৭০-৭১ শিক্ষাবর্ষে মাত্র ৪টি বিভাগ (অর্থনীতি, ভূগোল, গণিত ও পরিসংখ্যান) এবং ১৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এর পথচলা শুরু হয়। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়মিতভাবে ১২ জানুয়ারি তারিখটিকে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন