নজরবিডি | ঢাকা
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে আবুল কাশেম ও জহির উদ্দীনের নেতৃত্বে ১০০ থেকে ১৫০ জন লোক মানিকদী এলাকায় অবস্থিত ওই বাণিজ্যিক প্রজেক্টে জোরপূর্বক প্রবেশ করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। তারা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়, মালামাল লুটপাট করে এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার সময় প্রজেক্টে থাকা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিষয়টি ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে অভিযুক্ত দুই নেতা তাদের অনুসারীদের নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মানিকদী আবাসিক এলাকার ওই জমি ও প্রজেক্টকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীকে দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। ব্যবসায়ী অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নিয়ে সোমবার পরিকল্পিতভাবে দখলের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাইফুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, তার ভাই ২০২১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন। তাদেরকে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে একাধিক নাশকতার মামলা এবং বিএনপির অর্থদাতা সংক্রান্ত মামলায় জড়ানো হয়। এসব মামলায় তাদের কয়েক দফা কারাভোগও করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে যা ঘটেছে, এখন ৫ আগস্টের পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। দুই জামায়াত নেতার নির্যাতনে আমরা দিশেহারা। আমাদের জমি ও পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে তারা জবরদখলের চেষ্টা করছে।”
ভুক্তভোগী জানান, এসব ঘটনার বিষয়ে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও মহানগর উত্তর জামায়াতের সভাপতি সেলিম খানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এবং আইনের তোয়াক্কা না করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ও জহির উদ্দীনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি | ঢাকা
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে আবুল কাশেম ও জহির উদ্দীনের নেতৃত্বে ১০০ থেকে ১৫০ জন লোক মানিকদী এলাকায় অবস্থিত ওই বাণিজ্যিক প্রজেক্টে জোরপূর্বক প্রবেশ করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। তারা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়, মালামাল লুটপাট করে এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার সময় প্রজেক্টে থাকা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিষয়টি ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে অভিযুক্ত দুই নেতা তাদের অনুসারীদের নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মানিকদী আবাসিক এলাকার ওই জমি ও প্রজেক্টকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীকে দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। ব্যবসায়ী অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নিয়ে সোমবার পরিকল্পিতভাবে দখলের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাইফুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, তার ভাই ২০২১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন। তাদেরকে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে একাধিক নাশকতার মামলা এবং বিএনপির অর্থদাতা সংক্রান্ত মামলায় জড়ানো হয়। এসব মামলায় তাদের কয়েক দফা কারাভোগও করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে যা ঘটেছে, এখন ৫ আগস্টের পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। দুই জামায়াত নেতার নির্যাতনে আমরা দিশেহারা। আমাদের জমি ও পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে তারা জবরদখলের চেষ্টা করছে।”
ভুক্তভোগী জানান, এসব ঘটনার বিষয়ে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও মহানগর উত্তর জামায়াতের সভাপতি সেলিম খানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এবং আইনের তোয়াক্কা না করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ও জহির উদ্দীনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন