গোপালগঞ্জ। বাংলাদেশ
মুকসুদপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বাটিকামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইবাদত মাতুব্বর’র সভাপতিত্বে- প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রতিটি নাগরিকের অবাধ, সুষ্ঠু ও দায়িত্বশীল ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি, প্রলোভন বা গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা রহমান, যিনি বলেন, “নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্রের পূর্ণতা অর্জন সম্ভব নয়। নারী ভোটারদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে স্বাধীনভাবে ভোট প্রদান করতে হবে।”

এছাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার নির্বাচনকালীন সময়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সমন্বিত ভূমিকা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। উপজেলা তথ্যসেবা কর্মকর্তা শতাব্দী বিশ্বাস নির্বাচন সংক্রান্ত সঠিক তথ্য গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাটিকামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইবাদত মাতুব্বরসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্যবৃন্দ। তারা স্থানীয় জনগণের মধ্যে নির্বাচন বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের কর্মসূচির কার্যকারিতা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ভিডব্লিউবি উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্রে করণীয় ও নির্বাচন আচরণবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের সচেতনতামূলক প্রচারণা তাদের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত ভয় ও বিভ্রান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মধ্যে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জ। বাংলাদেশ
মুকসুদপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বাটিকামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইবাদত মাতুব্বর’র সভাপতিত্বে- প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রতিটি নাগরিকের অবাধ, সুষ্ঠু ও দায়িত্বশীল ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি, প্রলোভন বা গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা রহমান, যিনি বলেন, “নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্রের পূর্ণতা অর্জন সম্ভব নয়। নারী ভোটারদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে স্বাধীনভাবে ভোট প্রদান করতে হবে।”

এছাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার নির্বাচনকালীন সময়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সমন্বিত ভূমিকা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। উপজেলা তথ্যসেবা কর্মকর্তা শতাব্দী বিশ্বাস নির্বাচন সংক্রান্ত সঠিক তথ্য গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাটিকামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইবাদত মাতুব্বরসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্যবৃন্দ। তারা স্থানীয় জনগণের মধ্যে নির্বাচন বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের কর্মসূচির কার্যকারিতা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ভিডব্লিউবি উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্রে করণীয় ও নির্বাচন আচরণবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের সচেতনতামূলক প্রচারণা তাদের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত ভয় ও বিভ্রান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মধ্যে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন