নজরবিডি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) পণ্য বিক্রির প্রস্তুতি নিলেও খুলনায় বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার নিম্ন আয়ের মানুষ। অনলাইন কার্ড নবায়ন না হওয়া এবং নতুন কার্ড ইস্যু না হওয়ায় খুলনা জেলা ও মহানগরীর অধিকাংশ দরিদ্র মানুষ এবার রমজানের ভর্তুকি মূল্যের পণ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মোট কার্ডধারী: ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৮ জন। মহানগরী (৩১ ওয়ার্ড): ৬৫ হাজার ৪৬৩ জন উপকারভোগী। জেলা (৯ উপজেলা): ৭৭ হাজার ৩৮৫ জন উপকারভোগী। বিক্রয় কেন্দ্র: ২৬১ জন ডিলারের দোকান।
সরেজমিনে ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফ্যামিলি কার্ড অনলাইন ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্তির (রিভিউ) প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু প্রযুক্তির সাথে অভ্যস্ত না হওয়ায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কার্ড বাতিল হয়ে গেছে। এছাড়া এক পরিবারে একাধিক কার্ড থাকাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবী মানুষ এবার রমজানে সুলভ মূল্যে পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন না।
আগে খুলনায় ট্রাকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে টিসিবি পণ্য বিক্রি করা হতো, যা এবার বন্ধ রয়েছে। ফলে যাদের কার্ড নেই বা যারা নতুন আবেদন করেছেন, তারা পণ্য সংগ্রহ করতে পারছেন না। নতুন আবেদনের ফাইল মন্ত্রণালয়ে পড়ে থাকলেও অনুমোদন না আসায় নতুন কোনো কার্ড বিতরণ সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। এদিকে সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি (কাউন্সিলর) না থাকায় বর্তমানে কার্ড নবায়ন বা নতুন কার্ডের তদারকিতে সমন্বয়হীনতা ও ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
পণ্য সংকটের বিষয়ে টিসিবি খুলনার অফিস প্রধান ও যুগ্ম পরিচালক মো: হুমায়ুন কবির জানান, রমজানে চিনি, তেল ও ডালের সাথে ছোলা ও খেজুর যুক্ত হবে। ইতিমধ্যে খেজুরের চালান খুলনায় এসেছে এবং ছোলার চালান চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় আছে। তিনি বলেন, "জাতীয় নির্বাচনের কারণে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলেও রমজানের আগেই বিতরণ শুরু হবে। ট্রাক সেল চালুর বিষয়টি সম্পূর্ণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।"
ভুক্তভোগী শ্রমজীবী মানুষের দাবি, রমজানের আগেই যেন বাতিল হওয়া কার্ডগুলো যাচাই-বাছাই করে সচল করা হয় এবং ফ্যামিলি কার্ড না থাকা ব্যক্তিদের জন্য পুনরায় ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম চালু করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) পণ্য বিক্রির প্রস্তুতি নিলেও খুলনায় বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার নিম্ন আয়ের মানুষ। অনলাইন কার্ড নবায়ন না হওয়া এবং নতুন কার্ড ইস্যু না হওয়ায় খুলনা জেলা ও মহানগরীর অধিকাংশ দরিদ্র মানুষ এবার রমজানের ভর্তুকি মূল্যের পণ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মোট কার্ডধারী: ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৮ জন। মহানগরী (৩১ ওয়ার্ড): ৬৫ হাজার ৪৬৩ জন উপকারভোগী। জেলা (৯ উপজেলা): ৭৭ হাজার ৩৮৫ জন উপকারভোগী। বিক্রয় কেন্দ্র: ২৬১ জন ডিলারের দোকান।
সরেজমিনে ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফ্যামিলি কার্ড অনলাইন ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্তির (রিভিউ) প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু প্রযুক্তির সাথে অভ্যস্ত না হওয়ায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কার্ড বাতিল হয়ে গেছে। এছাড়া এক পরিবারে একাধিক কার্ড থাকাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবী মানুষ এবার রমজানে সুলভ মূল্যে পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন না।
আগে খুলনায় ট্রাকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে টিসিবি পণ্য বিক্রি করা হতো, যা এবার বন্ধ রয়েছে। ফলে যাদের কার্ড নেই বা যারা নতুন আবেদন করেছেন, তারা পণ্য সংগ্রহ করতে পারছেন না। নতুন আবেদনের ফাইল মন্ত্রণালয়ে পড়ে থাকলেও অনুমোদন না আসায় নতুন কোনো কার্ড বিতরণ সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। এদিকে সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি (কাউন্সিলর) না থাকায় বর্তমানে কার্ড নবায়ন বা নতুন কার্ডের তদারকিতে সমন্বয়হীনতা ও ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
পণ্য সংকটের বিষয়ে টিসিবি খুলনার অফিস প্রধান ও যুগ্ম পরিচালক মো: হুমায়ুন কবির জানান, রমজানে চিনি, তেল ও ডালের সাথে ছোলা ও খেজুর যুক্ত হবে। ইতিমধ্যে খেজুরের চালান খুলনায় এসেছে এবং ছোলার চালান চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় আছে। তিনি বলেন, "জাতীয় নির্বাচনের কারণে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলেও রমজানের আগেই বিতরণ শুরু হবে। ট্রাক সেল চালুর বিষয়টি সম্পূর্ণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।"
ভুক্তভোগী শ্রমজীবী মানুষের দাবি, রমজানের আগেই যেন বাতিল হওয়া কার্ডগুলো যাচাই-বাছাই করে সচল করা হয় এবং ফ্যামিলি কার্ড না থাকা ব্যক্তিদের জন্য পুনরায় ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম চালু করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন