ব্যাংকের ডেস্কে বসে হিসাব মেলালেও মন পড়ে থাকে গ্রামের ফসলের মাঠে...
কৃষির প্রতি সেই ভালোবাসা থেকেই চাকরির পাশাপাশি ‘একাঙ্গী’ (স্থানীয়ভাবে একানী নামে পরিচিত) চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মেহেরপুরের ইসলামী ব্যাংক গাংনী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইসতিয়াক হাসান। উপজেলার দেবীপুর গ্রামে তার এই নতুন জাতের ফসল চাষ দেখে এখন অনেক কৃষকই উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।
এক বন্ধুর সফল চাষ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসতিয়াক হাসান দেড় বিঘা জমিতে এই ভেষজ ও সুগন্ধি ফসলের আবাদ শুরু করেন। শুরুতে এলাকার লোকজনের কটূক্তি ও নেতিবাচক মন্তব্য শুনতে হলেও তিনি দমে যাননি। বরং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে নিজেই মাঠে এসে শ্রম দিয়েছেন। বর্তমানে তার খেতের অবস্থা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক এবং আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যেই তিনি ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ইসতিয়াক হাসান জানান, একানী চাষে খরচ তুলনামূলক একটু বেশি। বিঘা প্রতি প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়। তবে বাজারে যদি সঠিক দাম পাওয়া যায়, তবে মাত্র দেড় বিঘা জমি থেকে ৩-৪ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। তার মতে, পচা বা ধসা রোগ থেকে ফসল রক্ষা করা গেলে এটি অত্যন্ত লাভজনক একটি আবাদ।
একাঙ্গী আসলে কী?
একাঙ্গী মূলত একটি মূল্যবান ভেষজ উদ্ভিদ। অনেক এলাকায় একে 'ভুঁই চম্পা' বা 'সুগন্ধি আদা'ও বলা হয়। এর বহুমুখী ব্যবহার রয়েছ।
মাছের খাবার (চার) তৈরিতে সুগন্ধি হিসেবে,রূপচর্চার প্রসাধনী ও ঔষধি তৈরিতে এবং মসলা হিসেবেও এর কদর রয়েছে।
গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে একানীর চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মতিয়র রহমান জানান, একাঙ্গী একটি উচ্চমূল্যের রপ্তানিযোগ্য ফসল। দেশের বাইরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নতুন উদ্যোক্তাদের এই লাভজনক ফসল চাষে সম্পৃক্ত করতে পারলে এলাকার কৃষিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
দেবীপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলাম ও আব্বাস আলীর মতো অনেকেই এখন নিয়মিত ইসতিয়াকের জমি দেখতে আসছেন এবং পরামর্শ নিচ্ছেন। ইসতিয়াক সফল হলে আগামীতে গ্রামে এই সুগন্ধি আদার চাষ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্যাংকের ডেস্কে বসে হিসাব মেলালেও মন পড়ে থাকে গ্রামের ফসলের মাঠে...
কৃষির প্রতি সেই ভালোবাসা থেকেই চাকরির পাশাপাশি ‘একাঙ্গী’ (স্থানীয়ভাবে একানী নামে পরিচিত) চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মেহেরপুরের ইসলামী ব্যাংক গাংনী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইসতিয়াক হাসান। উপজেলার দেবীপুর গ্রামে তার এই নতুন জাতের ফসল চাষ দেখে এখন অনেক কৃষকই উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।
এক বন্ধুর সফল চাষ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসতিয়াক হাসান দেড় বিঘা জমিতে এই ভেষজ ও সুগন্ধি ফসলের আবাদ শুরু করেন। শুরুতে এলাকার লোকজনের কটূক্তি ও নেতিবাচক মন্তব্য শুনতে হলেও তিনি দমে যাননি। বরং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে নিজেই মাঠে এসে শ্রম দিয়েছেন। বর্তমানে তার খেতের অবস্থা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক এবং আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যেই তিনি ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ইসতিয়াক হাসান জানান, একানী চাষে খরচ তুলনামূলক একটু বেশি। বিঘা প্রতি প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়। তবে বাজারে যদি সঠিক দাম পাওয়া যায়, তবে মাত্র দেড় বিঘা জমি থেকে ৩-৪ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। তার মতে, পচা বা ধসা রোগ থেকে ফসল রক্ষা করা গেলে এটি অত্যন্ত লাভজনক একটি আবাদ।
একাঙ্গী আসলে কী?
একাঙ্গী মূলত একটি মূল্যবান ভেষজ উদ্ভিদ। অনেক এলাকায় একে 'ভুঁই চম্পা' বা 'সুগন্ধি আদা'ও বলা হয়। এর বহুমুখী ব্যবহার রয়েছ।
মাছের খাবার (চার) তৈরিতে সুগন্ধি হিসেবে,রূপচর্চার প্রসাধনী ও ঔষধি তৈরিতে এবং মসলা হিসেবেও এর কদর রয়েছে।
গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে একানীর চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মতিয়র রহমান জানান, একাঙ্গী একটি উচ্চমূল্যের রপ্তানিযোগ্য ফসল। দেশের বাইরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নতুন উদ্যোক্তাদের এই লাভজনক ফসল চাষে সম্পৃক্ত করতে পারলে এলাকার কৃষিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
দেবীপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলাম ও আব্বাস আলীর মতো অনেকেই এখন নিয়মিত ইসতিয়াকের জমি দেখতে আসছেন এবং পরামর্শ নিচ্ছেন। ইসতিয়াক সফল হলে আগামীতে গ্রামে এই সুগন্ধি আদার চাষ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন