জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইমারত শেখ; প্যানেল চেয়ারম্যান মিটুল শেখ, কবির মোল্লা, জাহাঙ্গীর মুন্সী, মাইনুদ্দিন শেখ ও ইনামুল মল্লিক। এছাড়া খান্দারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাফর শেখ, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হাওলাদার, ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার দুলাল শেখ, ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার কাবুল শেখ, ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার লিংকন কাজী, অহিদ মোল্লা, আলমগীর বিশ্বাস ও ইমরান শিকদার (রাকিব), ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার নিজামুল ইসলাম লস্করসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।
জনসভা শেষে খান্দারপাড়া ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ একযোগে একটি মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে যান। সেখানে মাদক ব্যবসায়ীকে পাওয়া না গেলে উপস্থিতরা তার পরিবারকে মাদক ব্যবসা থেকে সরে আসার জন্য সতর্ক করেন এবং নৈতিকভাবে অনুরোধ জানান।
আয়োজকরা জানান, এই জনসভা ও পরবর্তী প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ সামাজিক ঐক্য ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে যে, স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব একসাথে কাজ করলে মাদক নির্মূলে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করা সম্ভব। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইমারত শেখ; প্যানেল চেয়ারম্যান মিটুল শেখ, কবির মোল্লা, জাহাঙ্গীর মুন্সী, মাইনুদ্দিন শেখ ও ইনামুল মল্লিক। এছাড়া খান্দারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাফর শেখ, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হাওলাদার, ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার দুলাল শেখ, ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার কাবুল শেখ, ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার লিংকন কাজী, অহিদ মোল্লা, আলমগীর বিশ্বাস ও ইমরান শিকদার (রাকিব), ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার নিজামুল ইসলাম লস্করসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।
জনসভা শেষে খান্দারপাড়া ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ একযোগে একটি মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে যান। সেখানে মাদক ব্যবসায়ীকে পাওয়া না গেলে উপস্থিতরা তার পরিবারকে মাদক ব্যবসা থেকে সরে আসার জন্য সতর্ক করেন এবং নৈতিকভাবে অনুরোধ জানান।
আয়োজকরা জানান, এই জনসভা ও পরবর্তী প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ সামাজিক ঐক্য ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে যে, স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব একসাথে কাজ করলে মাদক নির্মূলে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করা সম্ভব। 
আপনার মতামত লিখুন