চুয়াডাঙ্গায় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন রবিউল ইসলাম (৫০) নামে এক বাদাম বিক্রেতা। ট্রেনের নিচে পড়ে তার দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার পোড়াদহ এলাকার মেছের আলীর ছেলে।
রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিউল ইসলাম ট্রেনের ভেতরে বাদাম বিক্রি করতেন। চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী লোকাল মেইল ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে খুলনার উদ্দেশ্যে ছাড়তে শুরু করে। এ সময় চলন্ত ট্রেন থেকে তড়িঘড়ি করে নামতে গিয়ে তার পরনের লুঙ্গি ট্রেনের হুকে আটকে যায়। এতে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে ছিটকে চাকার নিচে পড়ে যান এবং তার দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মী এবং স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল কাদের জানান, "আহত ব্যক্তির দুই পা শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর/পঙ্গু হাসপাতাল) রেফার করা হয়েছে।"
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং আহত ব্যক্তির পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন রবিউল ইসলাম (৫০) নামে এক বাদাম বিক্রেতা। ট্রেনের নিচে পড়ে তার দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার পোড়াদহ এলাকার মেছের আলীর ছেলে।
রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিউল ইসলাম ট্রেনের ভেতরে বাদাম বিক্রি করতেন। চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী লোকাল মেইল ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে খুলনার উদ্দেশ্যে ছাড়তে শুরু করে। এ সময় চলন্ত ট্রেন থেকে তড়িঘড়ি করে নামতে গিয়ে তার পরনের লুঙ্গি ট্রেনের হুকে আটকে যায়। এতে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে ছিটকে চাকার নিচে পড়ে যান এবং তার দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মী এবং স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল কাদের জানান, "আহত ব্যক্তির দুই পা শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর/পঙ্গু হাসপাতাল) রেফার করা হয়েছে।"
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং আহত ব্যক্তির পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন