সুমাইয়া নূর প্রভা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ সংকট বিশ্বব্যাপী জাহাজের স্বল্পতা, আমদানি জটিলতা এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, ২০২৫ সালে দেশে এলপিজি আমদানি হয়েছে ১৪ দশমিক ৬৫ লাখ টন। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হওয়ায় গ্রাহকরা বাধ্য হয়ে কাঠ ও কয়লার মতো পুরোনো জ্বালানির দিকে ফিরে যাচ্ছেন, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান হিসেবে মিথানল চুলা সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। মিথানল জ্বালানি তুলনামূলকভাবে সস্তা, পরিষ্কার এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদনযোগ্য। ভারত, চীন ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত এই পথে অগ্রসর হতে পারে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে এলপিজির চাহিদা প্রতিবছর ১৫–২০ লাখ টন হারে বাড়ছে। কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের সীমিত সরবরাহ ও আমদানিনির্ভরতার কারণে সংকট আরও গভীর হচ্ছে। অন্যদিকে মিথানল কয়লা, কৃষি অবশিষ্ট, বায়োগ্যাস কিংবা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে উৎপাদন করা যায়—যা এলপিজির সরাসরি বিকল্প। এর দাম এলপিজির তুলনায় ৩০–৪০ শতাংশ কম, জ্বালানি হিসেবে পরিচ্ছন্ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন প্রায় ৩৩ শতাংশ কম।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
সুমাইয়া নূর প্রভা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ সংকট বিশ্বব্যাপী জাহাজের স্বল্পতা, আমদানি জটিলতা এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, ২০২৫ সালে দেশে এলপিজি আমদানি হয়েছে ১৪ দশমিক ৬৫ লাখ টন। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হওয়ায় গ্রাহকরা বাধ্য হয়ে কাঠ ও কয়লার মতো পুরোনো জ্বালানির দিকে ফিরে যাচ্ছেন, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান হিসেবে মিথানল চুলা সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। মিথানল জ্বালানি তুলনামূলকভাবে সস্তা, পরিষ্কার এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদনযোগ্য। ভারত, চীন ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত এই পথে অগ্রসর হতে পারে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে এলপিজির চাহিদা প্রতিবছর ১৫–২০ লাখ টন হারে বাড়ছে। কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের সীমিত সরবরাহ ও আমদানিনির্ভরতার কারণে সংকট আরও গভীর হচ্ছে। অন্যদিকে মিথানল কয়লা, কৃষি অবশিষ্ট, বায়োগ্যাস কিংবা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে উৎপাদন করা যায়—যা এলপিজির সরাসরি বিকল্প। এর দাম এলপিজির তুলনায় ৩০–৪০ শতাংশ কম, জ্বালানি হিসেবে পরিচ্ছন্ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন প্রায় ৩৩ শতাংশ কম।

আপনার মতামত লিখুন