নজর বিডি
প্রকাশ : বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

ডুমুরিয়ায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণে জনগণের প্রস্তাবনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন

ডুমুরিয়ায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণে জনগণের প্রস্তাবনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন

ডুমুরিয়ায় আপার ভদ্রা অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণের প্রস্তাবনা তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ডুমুরিয়ার চুকনগর ট্রেড স্কুলে আপার ভদ্রা অববাহিকা পানি কমিটির আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উত্তরনের আপার ভদ্রা অববাহিকা পানি কমিটির আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিন। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সহসভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল মতলেব, উত্তরনের প্রতিনিধি মো. হাসেম আলী, দিলীপ কুমার সানা, শেখ সেলিম আক্তার স্বপন, মীর জিল্লুর রহমানসহ পানি কমিটির নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা জানান, প্রায় ৪০ বছর ধরে আপার ভদ্রা অববাহিকায় জলাবদ্ধতা সমস্যা চলমান রয়েছে। আপার ভদ্রা নদীর মাধ্যমে নরনিয়া লুইসগেট এলাকা, বুড়ী ভদ্রা ও হরিহর নদীর প্রায় ৩৩ হাজার হেক্টর এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। এ অববাহিকার ওপর নির্ভরশীল জনসংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষাধিক। যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর, সাতক্ষীরার তালা এবং খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সঙ্গে এ অববাহিকা যুক্ত।

তারা আরও জানান, আপার ভদ্রা, বুড়ী ভদ্রা ও হরিহর নদী বহুবার খনন হলেও অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। এক-দুই বছরের মধ্যেই নদী আবার পলি পড়ে ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তবে চলতি বছর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী খনন কাজ হওয়ায় জনগণ আশাবাদী।

চলতি বছরে আপার ভদ্রা নদীর ১৮.৫ কিলোমিটার ও হরিহর নদীর ৩৫ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ লক্ষ্যে রানাই ত্রিমোহনার কাশিমপুর এলাকায় আপার ভদ্রা নদীতে ক্রসবাঁধ দেওয়া হয়েছে, ফলে বোরো চাষাবাদে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। তাঁদের মতে, পানি নিষ্কাশনের জন্য আরও ২০-২৫ দিন সময় পেলে অধিকাংশ জমি চাষের আওতায় আসতে পারতো।

এছাড়া নদী খননের মাটি সরকারি জমিতে রাখা হলেও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, জমির মালিকদের মাটি ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে অথবা যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ক্রসবাঁধ দেওয়ার আগে পানি সেচের ব্যবস্থা রাখা এবং নদী খননের নকশা যথাযথভাবে অনুসরণ করার দাবি জানান বক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণে জনগণের প্রস্তাবনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ডুমুরিয়ায় আপার ভদ্রা অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণের প্রস্তাবনা তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ডুমুরিয়ার চুকনগর ট্রেড স্কুলে আপার ভদ্রা অববাহিকা পানি কমিটির আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উত্তরনের আপার ভদ্রা অববাহিকা পানি কমিটির আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিন। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সহসভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল মতলেব, উত্তরনের প্রতিনিধি মো. হাসেম আলী, দিলীপ কুমার সানা, শেখ সেলিম আক্তার স্বপন, মীর জিল্লুর রহমানসহ পানি কমিটির নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা জানান, প্রায় ৪০ বছর ধরে আপার ভদ্রা অববাহিকায় জলাবদ্ধতা সমস্যা চলমান রয়েছে। আপার ভদ্রা নদীর মাধ্যমে নরনিয়া লুইসগেট এলাকা, বুড়ী ভদ্রা ও হরিহর নদীর প্রায় ৩৩ হাজার হেক্টর এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। এ অববাহিকার ওপর নির্ভরশীল জনসংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষাধিক। যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর, সাতক্ষীরার তালা এবং খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সঙ্গে এ অববাহিকা যুক্ত।

তারা আরও জানান, আপার ভদ্রা, বুড়ী ভদ্রা ও হরিহর নদী বহুবার খনন হলেও অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। এক-দুই বছরের মধ্যেই নদী আবার পলি পড়ে ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তবে চলতি বছর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী খনন কাজ হওয়ায় জনগণ আশাবাদী।

চলতি বছরে আপার ভদ্রা নদীর ১৮.৫ কিলোমিটার ও হরিহর নদীর ৩৫ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ লক্ষ্যে রানাই ত্রিমোহনার কাশিমপুর এলাকায় আপার ভদ্রা নদীতে ক্রসবাঁধ দেওয়া হয়েছে, ফলে বোরো চাষাবাদে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। তাঁদের মতে, পানি নিষ্কাশনের জন্য আরও ২০-২৫ দিন সময় পেলে অধিকাংশ জমি চাষের আওতায় আসতে পারতো।

এছাড়া নদী খননের মাটি সরকারি জমিতে রাখা হলেও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, জমির মালিকদের মাটি ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে অথবা যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ক্রসবাঁধ দেওয়ার আগে পানি সেচের ব্যবস্থা রাখা এবং নদী খননের নকশা যথাযথভাবে অনুসরণ করার দাবি জানান বক্তারা।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত