নজর বিডি
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬

গোপালগঞ্জ-১ আসনে আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রশাসনের সঙ্গে প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা

গোপালগঞ্জ-১ আসনে আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রশাসনের সঙ্গে প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন 

অনলাইন ভার্সন 


স্পেশাল করসপন্ডেন্ট - মো: ছিরু মিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী) আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে আচরণবিধি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের বিজয় সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।   মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) হাসানুজ্জামান, মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আবুল হাছনাত, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুরু আমিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নীরদ বরন মজুমদার, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামানের প্রতিনিধি ও উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম শরীফসহ বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা। সভায় আচরণবিধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির বলেন, নির্বাচনী প্রচার সামগ্রীতে প্রার্থীর প্রতীক ও নিজের ছবি ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা যাবে না। প্রার্থীর ছবি অবশ্যই পোর্ট্রেট আকারে হতে হবে এবং এর সর্বোচ্চ আয়তন ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা কেবলমাত্র দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রচার শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট পেজ, অ্যাকাউন্ট আইডি ও ই-মেইলসহ শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সভায় জানানো হয়, আচরণবিধি অনুযায়ী ঘৃণাত্মক, মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য প্রচার নিষিদ্ধ। নারী, সংখ্যালঘু কিংবা কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বা আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে তা নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্বাচনী প্রচারে বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেলসহ যান্ত্রিক বাহন ব্যবহার করে মিছিল, শোডাউন বা মশাল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া অন্য কেউ হেলিকপ্টার বা আকাশযান ব্যবহার করতে পারবেন না। এছাড়া ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম, ছবি বা প্রতীক উল্লেখ করা যাবে না। তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী বা দল বিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, দেড় লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও নির্বাচন কমিশনের হাতে রয়েছে।   লেখক: গণমাধ্যমকর্মী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


গোপালগঞ্জ-১ আসনে আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রশাসনের সঙ্গে প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা

প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন 

অনলাইন ভার্সন 


স্পেশাল করসপন্ডেন্ট - মো: ছিরু মিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী) আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে আচরণবিধি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের বিজয় সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।   মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) হাসানুজ্জামান, মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আবুল হাছনাত, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসার নুরু আমিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নীরদ বরন মজুমদার, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামানের প্রতিনিধি ও উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম শরীফসহ বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা। সভায় আচরণবিধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির বলেন, নির্বাচনী প্রচার সামগ্রীতে প্রার্থীর প্রতীক ও নিজের ছবি ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা যাবে না। প্রার্থীর ছবি অবশ্যই পোর্ট্রেট আকারে হতে হবে এবং এর সর্বোচ্চ আয়তন ৬০ সেন্টিমিটার বাই ৪৫ সেন্টিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা কেবলমাত্র দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রচার শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট পেজ, অ্যাকাউন্ট আইডি ও ই-মেইলসহ শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সভায় জানানো হয়, আচরণবিধি অনুযায়ী ঘৃণাত্মক, মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য প্রচার নিষিদ্ধ। নারী, সংখ্যালঘু কিংবা কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বা আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে তা নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্বাচনী প্রচারে বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেলসহ যান্ত্রিক বাহন ব্যবহার করে মিছিল, শোডাউন বা মশাল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া অন্য কেউ হেলিকপ্টার বা আকাশযান ব্যবহার করতে পারবেন না। এছাড়া ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম, ছবি বা প্রতীক উল্লেখ করা যাবে না। তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী বা দল বিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, দেড় লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও নির্বাচন কমিশনের হাতে রয়েছে।   লেখক: গণমাধ্যমকর্মী

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত