নজর বিডি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার জংশনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী 'ঢাকা মেইল-২' (ডাউন) ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।

উদ্ধারকারী দল লাইনচ্যুত বগিটি সরিয়ে নিলে আজ সকালে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভৈরব বাজার জংশন ছেড়ে প্রায় ১৫০ মিটার অগ্রসর হওয়ার পর দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে আসা ট্রেনটি জংশনের কেবিন মাস্টার থেকে সিগন্যাল পেয়ে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের পেছনের চতুর্থ কোচটি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার ফলে ভৈরব জংশনের আপ ও ডাউন—উভয় লাইন অচল হয়ে পড়ে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে।

গভীর রাতে মাঝপথে ট্রেন আটকে যাওয়ায় নারী ও শিশুসহ শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

খবর পেয়ে আখাউড়া থেকে একটি বিশেষ উদ্ধারকারী (রিলিফ) ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বগিটি লাইন থেকে সরিয়ে মেরামত করা হলে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের দিকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. ইউসুফ মিয়া জানান, "রাত ৩টা থেকে আপ-ডাউন দুই লাইন বন্ধ থাকলেও উদ্ধারকারী দলের দ্রুত তৎপরতায় সকালে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে এই রুটে সিডিউল অনুযায়ী ট্রেনগুলো গন্তব্যে রওনা হচ্ছে।"

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার জংশনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী 'ঢাকা মেইল-২' (ডাউন) ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।

উদ্ধারকারী দল লাইনচ্যুত বগিটি সরিয়ে নিলে আজ সকালে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভৈরব বাজার জংশন ছেড়ে প্রায় ১৫০ মিটার অগ্রসর হওয়ার পর দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে আসা ট্রেনটি জংশনের কেবিন মাস্টার থেকে সিগন্যাল পেয়ে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের পেছনের চতুর্থ কোচটি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার ফলে ভৈরব জংশনের আপ ও ডাউন—উভয় লাইন অচল হয়ে পড়ে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে।

গভীর রাতে মাঝপথে ট্রেন আটকে যাওয়ায় নারী ও শিশুসহ শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

খবর পেয়ে আখাউড়া থেকে একটি বিশেষ উদ্ধারকারী (রিলিফ) ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বগিটি লাইন থেকে সরিয়ে মেরামত করা হলে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের দিকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. ইউসুফ মিয়া জানান, "রাত ৩টা থেকে আপ-ডাউন দুই লাইন বন্ধ থাকলেও উদ্ধারকারী দলের দ্রুত তৎপরতায় সকালে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে এই রুটে সিডিউল অনুযায়ী ট্রেনগুলো গন্তব্যে রওনা হচ্ছে।"

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত