খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম কারিগর, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও খুলনা জিলা স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৭:৩০ মিনিটে ডুমুরিয়া সদরের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল এবং তিনি দীর্ঘ ৪ বছর ধরে কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন।
আবু সাঈদ আহমেদ ছিলেন ডুমুরিয়ার শিক্ষা প্রসারের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তার উল্লেখযোগ্য অবদানসমূহ: ১৯৭২ সাল: প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সূচনা করেন। ১৯৭৭ সাল: ডুমুরিয়া সদরে বালিকা বিদ্যালয় (বর্তমানে সরকারি) প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২০০০-২০০৭ সাল: খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কমপ্লেক্সে 'বিয়াম স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তা পরিচালনা করেন। তিনি ডুমুরিয়া শহীদ স্মৃতি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অন্যতম উদ্যোক্তাও ছিলেন।
দীর্ঘদিন সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস করতে হলেও তিনি সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকেলে ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্বর (বিয়াম স্কুল মাঠ)-এ মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি ও জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে তাকে উপজেলার সেনপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আবু সাঈদ আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ডুমুরিয়া কলেজ পরিবার। এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম কারিগর, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও খুলনা জিলা স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৭:৩০ মিনিটে ডুমুরিয়া সদরের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল এবং তিনি দীর্ঘ ৪ বছর ধরে কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন।
আবু সাঈদ আহমেদ ছিলেন ডুমুরিয়ার শিক্ষা প্রসারের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তার উল্লেখযোগ্য অবদানসমূহ: ১৯৭২ সাল: প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সূচনা করেন। ১৯৭৭ সাল: ডুমুরিয়া সদরে বালিকা বিদ্যালয় (বর্তমানে সরকারি) প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২০০০-২০০৭ সাল: খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কমপ্লেক্সে 'বিয়াম স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তা পরিচালনা করেন। তিনি ডুমুরিয়া শহীদ স্মৃতি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অন্যতম উদ্যোক্তাও ছিলেন।
দীর্ঘদিন সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস করতে হলেও তিনি সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকেলে ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্বর (বিয়াম স্কুল মাঠ)-এ মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি ও জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে তাকে উপজেলার সেনপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আবু সাঈদ আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ডুমুরিয়া কলেজ পরিবার। এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আপনার মতামত লিখুন