সমূদ্র সৈকতে আশা দর্শনার্থী: নজরবিডি[/caption]
চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে দেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি অবকাশে সৈকত এলাকায় উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। হোটেল মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ হোটেলে কক্ষ দখল হার ৭০ থেকে ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ক্ষতির পর এবার তারা কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন। কলাতলী ও লাবণী পয়েন্ট এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, খাবার, হস্তশিল্প ও পরিবহন খাতে বিক্রি বেড়েছে।
[caption id="attachment_21201" align="alignnone" width="300"]
মাছ ধরার নৌযান, ছবি: নজরবিডি[/caption]
এক ব্যবসায়ী বলেন,
“পর্যটক বাড়ায় ব্যবসায় প্রাণ ফিরেছে। তবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত হলে আরও ভালো পরিবেশ তৈরি হবে।”
পর্যটন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সড়ক জট, পানি সংকট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। পর্যটকরা অভিযোগ করছেন, পর্যাপ্ত গণশৌচাগার, বিশুদ্ধ পানি ও পরিচ্ছন্ন সৈকত ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে।
অপরিকল্পিত স্থাপনা ও প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে পরিবেশবিদরা সতর্ক করছেন। তারা বলেন, টেকসই পর্যটন নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে কক্সবাজারের আকর্ষণ কমে যেতে পারে।
[caption id="attachment_21206" align="alignnone" width="300"]
মাছ শিকারে যাচ্ছেন, ছবি: নজরবিডি[/caption]
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পর্যটক নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলমান রয়েছে। পাশাপাশি নতুন পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারে পর্যটন খাত ঘুরে দাঁড়ালেও টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত না হলে এই সম্ভাবনা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগই পারে দেশের প্রধান পর্যটন নগরীকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
সমূদ্র সৈকতে আশা দর্শনার্থী: নজরবিডি[/caption]
চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে দেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি অবকাশে সৈকত এলাকায় উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। হোটেল মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ হোটেলে কক্ষ দখল হার ৭০ থেকে ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ক্ষতির পর এবার তারা কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন। কলাতলী ও লাবণী পয়েন্ট এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, খাবার, হস্তশিল্প ও পরিবহন খাতে বিক্রি বেড়েছে।
[caption id="attachment_21201" align="alignnone" width="300"]
মাছ ধরার নৌযান, ছবি: নজরবিডি[/caption]
এক ব্যবসায়ী বলেন,
“পর্যটক বাড়ায় ব্যবসায় প্রাণ ফিরেছে। তবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত হলে আরও ভালো পরিবেশ তৈরি হবে।”
পর্যটন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সড়ক জট, পানি সংকট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। পর্যটকরা অভিযোগ করছেন, পর্যাপ্ত গণশৌচাগার, বিশুদ্ধ পানি ও পরিচ্ছন্ন সৈকত ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে।
অপরিকল্পিত স্থাপনা ও প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে পরিবেশবিদরা সতর্ক করছেন। তারা বলেন, টেকসই পর্যটন নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে কক্সবাজারের আকর্ষণ কমে যেতে পারে।
[caption id="attachment_21206" align="alignnone" width="300"]
মাছ শিকারে যাচ্ছেন, ছবি: নজরবিডি[/caption]
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পর্যটক নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলমান রয়েছে। পাশাপাশি নতুন পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারে পর্যটন খাত ঘুরে দাঁড়ালেও টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত না হলে এই সম্ভাবনা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগই পারে দেশের প্রধান পর্যটন নগরীকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে।

আপনার মতামত লিখুন